★★★★বুদ্ধিমানের জন্য ইশারাই যথেষ্ট!★★★★
আফগানিস্তান প্রবেশ করার জন্য মার্কিনীরা তালেবানদের বেছে নিয়েছিল। ১৯৮৩ সালে প্রেসিডেন্ট রোনাল্ড রিগান তালেবানদের মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দাওয়াত দেয়।গোপনে সিআইএ-রিগ্যান-তালেবান মিটিং করে এবং আফগানিস্তানে মাস্টারপ্ল্যান তৈরী করে। সে সময় তালেবানদের কম আদর যত্ন করা হয়নি, বিশেষ প্লেনে চড়িয়ে নাসার বিশেষ কেন্দ্রগুলো পর্যন্ত ঘুরিয়ে দেখানো হয়।
আর আজকে, মার্কিন কূটনীতিক ক্যাথলিন গিবিলিস্কোর হাটহাজারি মাদ্রাসায় হেফাজতের নেতাদের সাথে আড়াই ঘণ্টা গোপন মিটিং করে, তাদেরকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার দাওয়াত দেয়, অনুদান দেয়ার আশ্বাস দেয়।
(বিস্তারিত:https://www.facebook.com/des.wa.71/posts/463034457159333?stream_ref=10)
আফগানিস্তান প্রবেশ করার জন্য মার্কিনীরা তালেবানদের বেছে নিয়েছিল। ১৯৮৩ সালে প্রেসিডেন্ট রোনাল্ড রিগান তালেবানদের মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দাওয়াত দেয়।গোপনে সিআইএ-রিগ্যান-তালেবান মিটিং করে এবং আফগানিস্তানে মাস্টারপ্ল্যান তৈরী করে। সে সময় তালেবানদের কম আদর যত্ন করা হয়নি, বিশেষ প্লেনে চড়িয়ে নাসার বিশেষ কেন্দ্রগুলো পর্যন্ত ঘুরিয়ে দেখানো হয়।
আর আজকে, মার্কিন কূটনীতিক ক্যাথলিন গিবিলিস্কোর হাটহাজারি মাদ্রাসায় হেফাজতের নেতাদের সাথে আড়াই ঘণ্টা গোপন মিটিং করে, তাদেরকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার দাওয়াত দেয়, অনুদান দেয়ার আশ্বাস দেয়।
(বিস্তারিত:https://www.facebook.com/des.wa.71/posts/463034457159333?stream_ref=10)
মার্কিন কূটনীতিক ক্যাথলিন গিবিলিস্কোর হাটহাজারি মাদ্রাসায় গোপন মিটিং এর মাধ্যমে দেশ নতুন করে গভীর চক্রান্তে মুখে উপনিত হলো, যা আল কায়েদা ভিডিও প্রকাশের ধারাবাহিকতারই অংশ।
মূলত: আল কায়েদা হচ্ছে সিআইএ’র একটি রিভার্স সংগঠন, যারা কোন মুসলিম দেশে মার্কিনীদের আগ্রাসন সৃষ্টির জন্য মওকা তৈরী করে। (আমার লেখা এ নোট পড়ে দেখতে পারেন: www.facebook.com/notes/des-wa/
আমি জানি, অনেকে হেফাজতের পক্ষে সাপোর্টার থাকতে পারেন, যারা কথাটা শুনে কষ্ট পাবেন। কিন্তু সত্য কথাটা সবসময় কঠিন হয়, এবং আমরা সত্যিই এক গভীর ইহুদীবাদী চক্রান্তে পা দিতে দিতে যাচ্ছি, যা অস্বীকার করার কোন উপায় নেই। দেশ ও ইসলামের মুহব্বতে প্রকৃত সত্য গোপন করে বিশ্বাসঘাতক হতে চাই না।
এখানে একটি কথা মনে রাখবেন, আমেরিকা চেয়েছিল বাংলাদেশে বিএনপি সরকার আসুক, যার মাধ্যমে কৌশলে ক্ষমতার আসনে বসিয়ে দেয়া হতো সুদখোর ইউনুসকে। বাংলাদেশে ইউনুসকে ক্ষমতা চেয়ারে বসানোর মানে হচ্ছে, মার্কিনীরা বিনা যুদ্ধে আমাদের দেশ দখল করে নিয়েছে।
আর ভারত চেয়েছিল আওয়ামীলীগ আসুক। কেননা আওয়ামী সরকারের মাধ্যমে ভারতের আর্থিক ও হিন্দুয়ানার অনেক উপকার হয়, এছাড়া বাংলাদেশকে সিকিমের মত গলধাঃকরণ করার ইচ্ছা তাদেরও প্রবল।
কিন্তু জটিল হলেও বিষয়টি সত্য, বর্তমানে আমেরিকার আর্থিক অবস্থা খুবই দুর্বল এবং বাংলাদেশের মত দূরবর্তী কোন দেশে নিকটবর্তী ভারতের সাথে টেক্কা দিতে তারা ব্যর্থ। ফলে ভারতীয় মদদে আওয়ামীলীগ চলে আসে ক্ষমতায়।
কিন্তু আমেরিকা যেহেতু এখনো হাল ছাড়েছি তাই তারা তাদের সবগুলো অস্ত্র একের পর এক ব্যবহার করবে এটাই স্বাভাবিক। এরই ধারাবাহিকতায় ব্যবহার করা হচ্ছে মার্কিনীদের অন্যতম অস্ত্র আল কায়েদাকে।
আর আল কায়েদা সংশ্লিষ্টতা তো হেফাজতের জন্য নতুন কিছু না। আফগান-রাশিয়া যুদ্ধের সময় সিআইএ’র ইচ্ছায় অনেক কওমী মাদ্রাসার ছাত্র-শিক্ষক তো আফগানিস্তান গিয়েছিল, যা তারা কখনই অস্বীকার করতে পারবে না। এছাড়া হেফাজতের কেন্দ্রীয় নেতা যেমন মুফতি ইজহারুল কিংবা মুফতি হাবীবুর রহমান (বুলবুলি মোল্লা)’র আল কায়েদা সংশ্লিষ্টতা রয়েছে। এছাড়া হাটহাজারি মাদ্রাসার ছাত্ররা যে পাহাড়ের মাঝে ট্রেনিং করে তাও অস্বীকার করার সুযোগ নেই। মুফতি আমিনী যখন সারা বাংলাদেশ পোস্টারে ছেয়ে ফেলে, “আমরা হবো তালেবান, বাংলা হবে আফগান” তা সবারই দৃষ্টিগোচর হয়েছিল, যা এখনো অনেকে ভুলে যায়নি।
প্রকৃতঅর্থে, হেফাজতে ইসলামের সাথে মার্কিন কনসুলেটের মিটিং-এর অর্থ হচ্ছে, বিভিন্ন কওমী মাদ্রাসার মুহতামিমদের টোপ দেয়া যে, তোমরা তোমাদের ছাত্রদের নিয়ে আল কায়েদার ব্যানারে কাজ শুরু করো, আমরা পেছন থেকে তোমাদের ব্যাকিং, অস্ত্র, টাকা ও মিডিয়া দেবো।
এখন কওমীরা যে কাজটি করতে চাচ্ছে, আমার মনে বাংলাদেশের অধিকাংশ মানুষই তা পছন্দ করবে না, কিংবা তার জন্য প্রস্তুত হবে না। এখন এমন পর্যায়ে তৈরী হয়নি যে দেশকে যুদ্ধের দিকে নিয়ে যেতে হবে, আর যদি যুদ্ধ করতেই হয় তবে মার্কিনী মত শিয়ালের সাথে একত্র হয়ে কেন যুদ্ধ করবো? তারাই তো সারা পৃথিবীতে মুসলিম নিপীড়ন চালাচ্ছে। আর আমাদের দেশে মুসলমান-মুসলমান কেন যুদ্ধ করবো? যুদ্ধ যদি করতে হয় তবে পাশের হিন্দুদের যাথে যুদ্ধ করবো, কিন্তু আমেরিকারদের উস্কানিতে দেশের মধ্যে বিশৃঙ্খলতা তৈরী করা কখনই ঠিক হবে না, কারণ এতে বাংলাদেশে সন্ত্রাস দমনের অজুহাতের প্রবেশ করবে ন্যাটো সেনা।
তাই প্রত্যেক নাগরিকের উচিত, যারা এ সকল দেশ বিরোধী চক্রান্তের সাথে জড়িত তাদের চিহিনত করা এবং প্রয়োজনের দেশ থেকে বের করে দেয়া। তাদের বলা উচিত: ‘আমাদের বাংলাদেশ নিয়ে আমাদের থাকতে দাও, তোমাদের কোন প্রয়োজন নেই।’
( কওমী অনলাইন এক্টিভিটিস পেইজ ঘুরে দেখলো মোটামুটি সত্যতা পেয়ে যাবেন, লুকিয়ে লাভ নেই আমার কাছে সেইভ করা আছে)
Courtesy: Des Wa
বাংলাদেশের ধনসম্পদ চুষে নিয়ে ব্রিটেন ধনী হয়েছে, কলকাতা ধনী হয়েছে, পাকিস্তান ধনী হয়েছে। কেবল বাঙালি মুসলমান পারল না সোনার বাংলাকে ব্যবহার করে ধনী হতে। সে না পারুক, কিন্তু মার্কিনীরা সে সুযোগ হাতছাড়া করবে কেন?
[ ক্রুসেডারদের চক্রান্ত শুরু হয়ে গেছে ]
------------------------------------------
হেফাজত নেতৃবৃন্দের সাথে মার্কিন দূতাবাস কর্মকর্তার বৈঠক ১৩ দফা ও ক্বওমী শিক্ষা সম্পর্কে ধারণা লাভ
করতে যুক্তরাষ্ট্রের আগ্রহ ::
ঢাকাস্থ মার্কিন দূতাবাসের রাজনৈতিক
কর্মকর্তা ক্যাথলিন গিবিলিস্কো এবং সহকারী রাজনীতি বিশেষজ্ঞ লুবাইন চৌধুরী মাসুম হেফাজতে ইসলামের
কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের সাথে বৈঠক করেছেন।
গতকাল (বুধবার) সকাল ১০টায় মার্কিন দূতাবাস কর্মকর্তাদ্বয় হেফাজতে ইসলামের কেন্দ্রীয় কার্যালয় দারুল উলূম হাটহাজারী মাদ্রাসায় প্রবেশ করেন। এসময় হেফাজত নেতৃবৃন্দ তাঁদেরকে অভ্যর্থনা জানিয়ে আমীরের কার্যালয়ে নিয়ে যান। এরপর মার্কিন দূতাবাস
কর্মকতা হেফাজত নেতৃবৃন্দের সাথে সরাসরি আলোচনায় বসেন। এতে উপস্থিত ছিলেন হেফাজতে ইসলামের মহাসচিব প্রখ্যাত মুহাদ্দিস আল্লামা হাফেজ মুহাম্মদ জুনায়েদ বাবুনগরী, মাওলানা আনাস মাদানী, আমীরের
প্রেস সেক্রেটারী মাওলানা মুনির আহমদ,
যুগ্মমহাসচিব মাওলানা মুঈনুদ্দীন রুহী, সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা আজিজুল হক ইসলামাবাদী, কেন্দ্রীয় নেতা মাওলানা হাবীবুল্লাহ আজাদী, মাওলানা মুজাম্মেল হক প্রমুখ।
বৈঠকে মিসেস ক্যাথলিন হেফাজত নেতৃবৃন্দর কাছে সংগঠনটির ১৩ দফার আন্দোলন, নীতি আদর্শ, সাংগঠনিক তৎপরতা, গত বছরের ৫ই মে শাপলা চত্বরের ঘটনাসহ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে বিস্তারিত জানতে চান। হেফাজত নেতৃবৃন্দ এসব বিষয়ে তাদের বক্তব্য তুলে ধরার
পাশাপাশি সংগঠনের অরাজনৈতিক ও
শান্তিপূর্ণ অবস্থান সম্পর্কে অবহিত করে বলেন, হেফাজতে ইসলামের তৎপরতা কাউকে ক্ষমতায় নেওয়ার জন্য বা নামানোর জন্য নয়। হেফাজতে ইসলাম মুসলমানদের ঈমান-আক্বিদার
সুরক্ষার আন্দোলনের পাশাপাশি দেশের
স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব ও সমাজে শান্তি-
শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠার জন্যই কাজ করে যাচ্ছে।
হেফাজতে ইসলাম আল্লাহ, রাসূল ও ইসলামের অবমাননা রোধ, ঈমান-আক্বিদার সুরক্ষাসহ ইসলামী সংস্কৃতির উপর আঘাতহানা যেমন সহ্য করে না, তেমনি সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের উপর
যে কোন হামলার ঘটনাকেও সমর্থন করে না। এর বাইরে হেফাজতে ইসলাম কখনোই কোন রাজনৈতিক তৎপরতায় জড়িত হবে না।
এ সময় মিসেস ক্যাথলিন শাপলা চত্বরের
হতাহতের ঘটনা, বায়তুল মুকাররম এলাকায় পবিত্র কুরআন পোড়ানো এবং সন্ত্রাস ও কথিত জঙ্গীবাদ নিয়েও আলোচনা করেন। হেফাজত নেতৃবৃন্দ
শাপলা চত্বর এবং পবিত্র কুরআন পোড়ানোর ঘটনায় নিরপেক্ষ বিচারবিভাগীয় তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের বিচার করার জন্য সরকারের প্রতি বার বার দাবী জানানোর কথা তুলে ধরে বলেন, শাপলা চত্বরের এত বড়
ভয়াবহ ঘটনার পরও সারাদেশে বিশাল জনসমর্থন সত্ত্বেও কোন ধরণের সহিংসতায় না জড়িয়ে আমরা চরম ধৈর্যের পরিচয় দিয়েছি।
কারণ, আমরা কখনোই সহিংস পন্থায়
দাবী আদায়ে বিশ্বাস করি না।
------------------------------------------
হেফাজত নেতৃবৃন্দের সাথে মার্কিন দূতাবাস কর্মকর্তার বৈঠক ১৩ দফা ও ক্বওমী শিক্ষা সম্পর্কে ধারণা লাভ
করতে যুক্তরাষ্ট্রের আগ্রহ ::
ঢাকাস্থ মার্কিন দূতাবাসের রাজনৈতিক
কর্মকর্তা ক্যাথলিন গিবিলিস্কো এবং সহকারী রাজনীতি বিশেষজ্ঞ লুবাইন চৌধুরী মাসুম হেফাজতে ইসলামের
কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের সাথে বৈঠক করেছেন।
গতকাল (বুধবার) সকাল ১০টায় মার্কিন দূতাবাস কর্মকর্তাদ্বয় হেফাজতে ইসলামের কেন্দ্রীয় কার্যালয় দারুল উলূম হাটহাজারী মাদ্রাসায় প্রবেশ করেন। এসময় হেফাজত নেতৃবৃন্দ তাঁদেরকে অভ্যর্থনা জানিয়ে আমীরের কার্যালয়ে নিয়ে যান। এরপর মার্কিন দূতাবাস
কর্মকতা হেফাজত নেতৃবৃন্দের সাথে সরাসরি আলোচনায় বসেন। এতে উপস্থিত ছিলেন হেফাজতে ইসলামের মহাসচিব প্রখ্যাত মুহাদ্দিস আল্লামা হাফেজ মুহাম্মদ জুনায়েদ বাবুনগরী, মাওলানা আনাস মাদানী, আমীরের
প্রেস সেক্রেটারী মাওলানা মুনির আহমদ,
যুগ্মমহাসচিব মাওলানা মুঈনুদ্দীন রুহী, সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা আজিজুল হক ইসলামাবাদী, কেন্দ্রীয় নেতা মাওলানা হাবীবুল্লাহ আজাদী, মাওলানা মুজাম্মেল হক প্রমুখ।
বৈঠকে মিসেস ক্যাথলিন হেফাজত নেতৃবৃন্দর কাছে সংগঠনটির ১৩ দফার আন্দোলন, নীতি আদর্শ, সাংগঠনিক তৎপরতা, গত বছরের ৫ই মে শাপলা চত্বরের ঘটনাসহ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে বিস্তারিত জানতে চান। হেফাজত নেতৃবৃন্দ এসব বিষয়ে তাদের বক্তব্য তুলে ধরার
পাশাপাশি সংগঠনের অরাজনৈতিক ও
শান্তিপূর্ণ অবস্থান সম্পর্কে অবহিত করে বলেন, হেফাজতে ইসলামের তৎপরতা কাউকে ক্ষমতায় নেওয়ার জন্য বা নামানোর জন্য নয়। হেফাজতে ইসলাম মুসলমানদের ঈমান-আক্বিদার
সুরক্ষার আন্দোলনের পাশাপাশি দেশের
স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব ও সমাজে শান্তি-
শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠার জন্যই কাজ করে যাচ্ছে।
হেফাজতে ইসলাম আল্লাহ, রাসূল ও ইসলামের অবমাননা রোধ, ঈমান-আক্বিদার সুরক্ষাসহ ইসলামী সংস্কৃতির উপর আঘাতহানা যেমন সহ্য করে না, তেমনি সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের উপর
যে কোন হামলার ঘটনাকেও সমর্থন করে না। এর বাইরে হেফাজতে ইসলাম কখনোই কোন রাজনৈতিক তৎপরতায় জড়িত হবে না।
এ সময় মিসেস ক্যাথলিন শাপলা চত্বরের
হতাহতের ঘটনা, বায়তুল মুকাররম এলাকায় পবিত্র কুরআন পোড়ানো এবং সন্ত্রাস ও কথিত জঙ্গীবাদ নিয়েও আলোচনা করেন। হেফাজত নেতৃবৃন্দ
শাপলা চত্বর এবং পবিত্র কুরআন পোড়ানোর ঘটনায় নিরপেক্ষ বিচারবিভাগীয় তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের বিচার করার জন্য সরকারের প্রতি বার বার দাবী জানানোর কথা তুলে ধরে বলেন, শাপলা চত্বরের এত বড়
ভয়াবহ ঘটনার পরও সারাদেশে বিশাল জনসমর্থন সত্ত্বেও কোন ধরণের সহিংসতায় না জড়িয়ে আমরা চরম ধৈর্যের পরিচয় দিয়েছি।
কারণ, আমরা কখনোই সহিংস পন্থায়
দাবী আদায়ে বিশ্বাস করি না।


![Photo: [ ক্রুসেডারদের চক্রান্ত শুরু হয়ে গেছে ]
------------------------------------------
হেফাজত নেতৃবৃন্দের সাথে মার্কিন দূতাবাস কর্মকর্তার বৈঠক ১৩ দফা ও ক্বওমী শিক্ষা সম্পর্কে ধারণা লাভ
করতে যুক্তরাষ্ট্রের আগ্রহ ::
ঢাকাস্থ মার্কিন দূতাবাসের রাজনৈতিক
কর্মকর্তা ক্যাথলিন গিবিলিস্কো এবং সহকারী রাজনীতি বিশেষজ্ঞ লুবাইন চৌধুরী মাসুম হেফাজতে ইসলামের
কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের সাথে বৈঠক করেছেন।
গতকাল (বুধবার) সকাল ১০টায় মার্কিন দূতাবাস কর্মকর্তাদ্বয় হেফাজতে ইসলামের কেন্দ্রীয় কার্যালয় দারুল উলূম হাটহাজারী মাদ্রাসায় প্রবেশ করেন। এসময় হেফাজত নেতৃবৃন্দ তাঁদেরকে অভ্যর্থনা জানিয়ে আমীরের কার্যালয়ে নিয়ে যান। এরপর মার্কিন দূতাবাস
কর্মকতা হেফাজত নেতৃবৃন্দের সাথে সরাসরি আলোচনায় বসেন। এতে উপস্থিত ছিলেন হেফাজতে ইসলামের মহাসচিব প্রখ্যাত মুহাদ্দিস আল্লামা হাফেজ মুহাম্মদ জুনায়েদ বাবুনগরী, মাওলানা আনাস মাদানী, আমীরের
প্রেস সেক্রেটারী মাওলানা মুনির আহমদ,
যুগ্মমহাসচিব মাওলানা মুঈনুদ্দীন রুহী, সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা আজিজুল হক ইসলামাবাদী, কেন্দ্রীয় নেতা মাওলানা হাবীবুল্লাহ আজাদী, মাওলানা মুজাম্মেল হক প্রমুখ।
বৈঠকে মিসেস ক্যাথলিন হেফাজত নেতৃবৃন্দর কাছে সংগঠনটির ১৩ দফার আন্দোলন, নীতি আদর্শ, সাংগঠনিক তৎপরতা, গত বছরের ৫ই মে শাপলা চত্বরের ঘটনাসহ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে বিস্তারিত জানতে চান। হেফাজত নেতৃবৃন্দ এসব বিষয়ে তাদের বক্তব্য তুলে ধরার
পাশাপাশি সংগঠনের অরাজনৈতিক ও
শান্তিপূর্ণ অবস্থান সম্পর্কে অবহিত করে বলেন, হেফাজতে ইসলামের তৎপরতা কাউকে ক্ষমতায় নেওয়ার জন্য বা নামানোর জন্য নয়। হেফাজতে ইসলাম মুসলমানদের ঈমান-আক্বিদার
সুরক্ষার আন্দোলনের পাশাপাশি দেশের
স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব ও সমাজে শান্তি-
শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠার জন্যই কাজ করে যাচ্ছে।
হেফাজতে ইসলাম আল্লাহ, রাসূল ও ইসলামের অবমাননা রোধ, ঈমান-আক্বিদার সুরক্ষাসহ ইসলামী সংস্কৃতির উপর আঘাতহানা যেমন সহ্য করে না, তেমনি সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের উপর
যে কোন হামলার ঘটনাকেও সমর্থন করে না। এর বাইরে হেফাজতে ইসলাম কখনোই কোন রাজনৈতিক তৎপরতায় জড়িত হবে না।
এ সময় মিসেস ক্যাথলিন শাপলা চত্বরের
হতাহতের ঘটনা, বায়তুল মুকাররম এলাকায় পবিত্র কুরআন পোড়ানো এবং সন্ত্রাস ও কথিত জঙ্গীবাদ নিয়েও আলোচনা করেন। হেফাজত নেতৃবৃন্দ
শাপলা চত্বর এবং পবিত্র কুরআন পোড়ানোর ঘটনায় নিরপেক্ষ বিচারবিভাগীয় তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের বিচার করার জন্য সরকারের প্রতি বার বার দাবী জানানোর কথা তুলে ধরে বলেন, শাপলা চত্বরের এত বড়
ভয়াবহ ঘটনার পরও সারাদেশে বিশাল জনসমর্থন সত্ত্বেও কোন ধরণের সহিংসতায় না জড়িয়ে আমরা চরম ধৈর্যের পরিচয় দিয়েছি।
কারণ, আমরা কখনোই সহিংস পন্থায়
দাবী আদায়ে বিশ্বাস করি না।
উলামায়ে কেরাম সমাজে শান্তি ও ন্যায়
বিচার প্রতিষ্ঠার পাশাপাশি জোর-জুলুম,
সন্ত্রাস ও দুর্নীতি নির্মূলে কাজ করে যাচ্ছে। এ সময় মিসেস ক্যাথলিন বলেন, শাপলা চত্বরের ঘটনার সময় আমি যুক্তরাষ্ট্রে ছিলাম। পবিত্র কুরআন
পোড়ানোর মতো ঘটনার সাথে হেফাজতের লোকজন জড়িত থাকতে পারে এমন অভিযোগ তখন ব্যক্তিগতভাবে আমারও বিশ্বাস হয়নি।
মার্কিন কূটনীতিক দারুল উলূম
হাটহাজারী মাদ্রাসার পাঠ্য পদ্ধতিসহ
কী কী বিষয়ে পড়ানো হয় এবং দেশ ও সমাজ গঠনে তাদের ভূমিকা সম্পর্কে খোঁজখবর নেন। ক্বওমী শিক্ষা ব্যবস্থা,
সরকারী স্বীকৃতি এবং উলামায়ে কেরামের
সামাজিক সম্পৃক্ততা সম্পর্কেও তিনি প্রশ্ন করেন। এ সময় হেফাজত আমীরের প্রেস সেক্রেটারী ও মাসিক মুঈনুল ইসলামের নির্বাহী সম্পাদক মাওলানা মুনির আহমদ মিসেস ক্যাথলিনের কাছে বাংলাদেশের উলামা-মাশায়েখ, ক্বওমী মাদ্রাসা ও হেফাজতে ইসলাম সম্পর্কে মার্কিন সরকারের দৃষ্টিভঙ্গি জানতে চাইলে তিনি এ ব্যাপারে তার ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের
অনুমতি ছাড়া কোন কথা বলতে অপারগতা প্রকাশ করেন। মিসেস ক্যাথলিন এ সময় যুক্তরাষ্ট্রের মুসলিম নাগরিক পরিচালিত মাদ্রাসা সম্পর্কে হেফাজত নেতৃবৃন্দ কতটা অবহিত এবং পারস্পরিক অভিজ্ঞতা বিনিময়ের জন্য
ক্বওমী মাদ্রাসা নেতৃবৃন্দের কোন প্রতিনিধি দল যুক্তরাষ্ট্র সফরে আগ্রহী কিনা জানতে চান। হেফাজত আমীরের প্রেস
সেক্রেটারী মাওলানা মুনির আহমদ জানান, আড়াই ঘণ্টা স্থায়ী বৈঠকটি সকাল ১০টায় শুরু হয়ে সাড়ে ১২টায় শেষ হয়। বৈঠক শেষে হেফাজত নেতৃবৃন্দ এবং দারুল উলূম হাটহাজারী মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের আন্তরিক আতিথেয়তা ও সহযোগীতার জন্য মার্কিন কূটনীতিক ধন্যবাদ জানান। বৈঠক শেষে দারুল উলূম হাটহাজারী মাদ্রাসার পরিদর্শন বইয়ে মিসেস ক্যাথলিন মন্তব্য লিখেন। বিদায় নেওয়ার আগে দারুল উলূম হাটহাজারী মাদ্রাসার শিক্ষাভবন, ছাত্রাবাসসহ কম্প্যাস পরিদর্শন করেন।
দুপুর ১২টা ৪৫ মিনিটে মার্কিন কূটনীতিক দারুল উলূম হাটহাজারী মাদ্রাসা থেকে বিদায় নিয়ে চট্টগ্রামের উদ্দেশ্যে রওনা হন।](https://fbcdn-sphotos-f-a.akamaihd.net/hphotos-ak-ash3/t1/s403x403/1622686_773890079305634_185097789_n.jpg)