সোমবার, ২৮ অক্টোবর, ২০১৩

ব্রিটিশআমল থেকেই দেওবন্দীরা



এবার নরখাদক নরেন্দ্র মোদির পক্ষে সাফাই গাওয়া শুরু করেছে দেওবন্দ। হুসাইন মাদানির নাতি ও আসাদ মাদানির ছেলে জমিয়তে উলামায়ে হিন্দের জেনারেল সেক্রেটারি মেহমুদ মাদানি গত ১৫ই অক্টোবর তার বক্তব্যে এমনটাই ব্যক্ত করেছে। মেহমুদ তার বক্তব্যে বলেছে, “মুসলিমদের অযথা মোদীকে ভয় পাওয়ার দরকার নেই৷ কংগ্রেস চেষ্টা করছে মুসলিমদের মোদীর ভয় দেখাতে।” মেহমুদ এর এ বক্তব্য নিঃসন্দেহে মোদির জন্য এক বড় প্রাপ্তি। কারণ নির্বাচনে জিততে কিছুদিন ধরেই মোদী মুসলিমদের মন পেতে চাইছে। কাজেই মেহমুদ মাদানির মোদির পক্ষে নরম অবস্থান নিঃসন্দেহে মোদীকে খুশি করবে।

মেহমুদের সাক্ষাৎকারের ইউটিউব লিঙ্ক: http://www.youtube.com/watch?v=3ceTBeVYzKs

আরেকটি ইউটিউব লিঙ্ক
Congress trying to create Modi fear in Muslims: Mahmood Madani
http://www.youtube.com/watch?v=sLRwR2R4TSs

মোদীর পাশে দাপুটে মাদানি, বিপাকে কংগ্রেস
http://bengali.oneindia.in/news/india/madani-stands-with-modi-000028.html

উল্লেখ্য, এর আগেও গত মার্চে এক সাক্ষাৎকারে মেহমুদ মাদানি মোদির পক্ষে নরম সুরে কথা বলেছিল। (http://www.youtube.com/watch?v=f5o9M3riJGE)।
গত কয়েকদিনে আমাকে বহু অপমান, ব্যক্তিগত আক্রমণের সম্মুখীন হতে হয়েছে দেওবন্দ সম্পর্কিত সত্য বিষয়গুলো প্রকাশ করায়। দেওবন্দীরা আমার এবং des wa ভাইয়ের বিরোধিতার স্বার্থে এরকম দাবি করতেও দ্বিধা করেনি যে, ভারতের হিন্দুরা নাকি বাংলাদেশ আর পাকিস্তানের মুসলমানদের চেয়েও সেদেশের মুসলমানদের ভাল রেখেছে!
মেহমুদ মাদানির মোদীর পক্ষাবলম্বন নিয়ে অনেকে বিষয়টি হালকা করে দেখার প্রয়াস পেতে পারে, তাদেরকে আবারও স্মরণ করিয়ে দিচ্ছি যে এই মেহমুদ হল হুসেন মাদানির নাতি। গত ২০০৭ সালে যখন কলকাতার মুসলমানরা তসলিমাকে কলকাতায় নিষিদ্ধ করেছিল ‘দ্বিখণ্ডিত’ লেখার কারণে, তখন এই মেহমুদই তসলিমার পাশে দাঁড়িয়েছিল। তাকে নিয়ে খবরে এসেছিল
“যে জমিয়তে উলামায়ে হিন্দ তসলিমার বিরুদ্ধে সোচ্চার ছিল তার নেতা মৌলানা মেহমুদ মাদানি জানান, "পবিত্র ইসলামেই আছে, কোন ব্যক্তি ক্ষমা চাইলে তাকে ক্ষমা করে দেওয়াই উচিত। তসলিমা যখন ক্ষমা চেয়েছেন, তখন তাকে ক্ষমা করে দেওয়াই ঠিক কাজ হবে। তিনি যেখানে থাকতে চান, সেখানেই তাকে থাকতে দেওয়া হোক।"

ক'দিন অগে এই মৌলানাই তসলিমাকে ভারত থেকে অন্যত্র পাঠানোর দাবিতে সরব ছিলেন।”

সূত্র: http://ns.bdnews24.com/bangla/details.php?id=69508&cid=21

পাঠকগণ আপনারাই চিন্তা করুন। সেই ২০০৭ সালে কলকাতায় তসলিমাবিরোধী আন্দোলনের উত্তাল সময়ে এরকম বক্তব্য দেয়ার পরও কিন্তু এদেশের দেওবন্দীদের জনকের সমতুল্য হুসেন মাদানির নাতি হওয়ার সুবাদে মেহমুদের পদের কোন নড়চড় হয়নি। কারণ তাদের সমর্থকরা তাদের ওস্তাদদের কোন দোষ দেখতে পায় না, আর পাবেই বা কেন? তারা যে অন্ধ! অন্ধ না হলে কি কেউ বলে, এদেশের চেয়ে ভারতে মুসলমানরা ভাল আছে? শুধু তাই নয়, উক্ত অন্ধের লেখা হুবহু কপি করে দিয়েছে কওমী অনলাইন এক্টিভিস্ট পেজ।

পরিশেষে এটাই বলতে চাই, এদেশের মানুষের অজ্ঞতাকে পুঁজি করেই দেওবন্দীরা এদেশে তাদের প্রভাব বিস্তার করে রয়েছে। এদেশের মানুষ জানেনা যে তারা ভারতে গরু কুরবানীর বিরুদ্ধে ফতোয়া জারি করছে। এদেশের মানুষ জানেনা যে তারা ভারতে হিন্দুদের কাফির বলার বিরুদ্ধে ফতোয়া জারি করছে। তারা জানেনা, তারা কিছুই জানেনা। তারা বাংলাদেশে বসে দেওবন্দের কথিত উচ্চতা(!) নিয়ে নানাবিধ কল্পকাহিনীতে মশগুল।

কিন্তু একটি বিষয় বোঝার চেষ্টা করুন, তাহলো ভারতে বিশ্ব হিন্দু পরিষদের নির্দেশে হিন্দুদের কাফির বলার বিরুদ্ধে ফতোয়া কিংবা গরু কুরবানীর বিরুদ্ধে ফতোয়ার রেশ এই ছাপ্পান্ন হাজার বর্গমাইলে এসে পৌছায়না বলেই আপনারা সেগুলো জানেননা, আর জানেননা বলেই দেওবন্দ নিয়ে দিবাস্বপ্ন দেখার অবকাশ পান। সেই অবকাশের ফুরসৎটুকু কিন্তু আর থাকবেনা, কারণ ২০১৪ সাল চলে এসেছে। ভারতের নির্বাচনকে সামনে রেখে মোদির প্রতি দেওবন্দীদের সমর্থনও দিনদিন প্রকটরূপ লাভ করছে। ভারতের পত্রপত্রিকা ও টিভি চ্যানেলে তা নিয়ে চলছে তুমুল আলোচনা।ভারতের স্বাধীনতা থেকে কংগ্রেসের সাপোর্টার হিসেবে সিলমারা দেওবন্দীরা হাওয়া বুঝতে পেরে নরেন্দ্র মোদীর শিবিরে যোগ দিয়েছে দেখে কংগ্রেস নেতারা তাদের ওপর বেজায় খাপ্পা। (সেগুলোর ইউটিউব লিঙ্ক দেয়া হয়েছে) তার রেশ আজ হোক কাল হোক, আপনার আমার মতো শিক্ষিত লোকের গায়ে লাগবে বৈকি! কারণ মোদির বিষয়টি শুধু ভারতবর্ষে সীমাবদ্ধ নয়, এটি গোটা উপমহাদেশের অন্যতম প্রধান রাজনৈতিক বিষয়। আজ হোক কাল হোক, এদেশের মিডিয়াতেও এগুলো হট টপিক হয়ে উঠবে।

সুতরাং দেওবন্দীদের প্ররোচনায় আজ আমাকে যতোই দুয়ো দিন, যতই অপমান করুন না কেন, যখন সময় আসবে তখন ঠিকই আমার আলোচনার বিষয়গুলো আপনাদের নিকট ডালভাত হয়ে যাবে। একটি সময় আসবে, যখন মোদিপ্রীতির জন্য আপনারাই দেওবন্দীদের ধিক্কার দিবেন। হয়তো সেদিন অনেক দেরি হয়ে যাবে, তাই আগেই সাবধান হোন।

সেদিন যেন মনে থাকে, দস্তার রাজদরবার আগেই আপনাদের সাবধান করে দিয়েছিল। সেদিন যেন মনে থাকে।
সাম্প্রতিক আপডেট(২৬শে অক্টোবর ২০১৩):

১) কংগ্রেসরা গুজরাটে মুসলিম নিধনে জড়িত তা ১১ বছর পর প্রকাশ করলো মেহমুদ মাদানি (যখন গুজরাট দাঙ্গার বিচারকার্য শেষ)। মুসলমানদের স্বার্থে নয়, সে যখন দল পরিবর্তন করছে সেই স্বার্থে। এখন এক হিন্দু জালেমকে ত্যাগ করে অন্য হিন্দু জালেমের সাথে হাত মিলাচ্ছে। যদিও মোদির নির্বাচনী ওয়াদা হচ্ছে, বাবরী মসজিদ এর স্থানে রামমন্দির প্রতিষ্ঠা, কিন্তু তারপরও সে বলছে, মুসলমানদের মোদিকে ভয় পাওয়ার কোনই কারণ নেই!!!

২) কংগ্রেস যে মুসলিম নিধনে জড়িত তা কি আরশাদ জানে না?? অবশ্যই জানে। কিন্তু রাজনৈতিক ফায়দা হাসিলের জন্য তা মুসলমানদের কাছে গোপন রেখেছে এবং মোদির বিরুদ্ধে কংগ্রেসের হয়ে রাজনৈতিক ফাইট দিয়ে যাচ্ছে ।

বিষয়টি তাহলে পরিষ্কার, দেওবন্দীরা তাদের গোপন স্বার্থ (টাকা হওয়াটাই স্বাভাবিক) এর জন্য কংগ্রেস আর বিজেপিকে মুসলমানদের ভোট পেয়ে দিতে সাহায্য করে। তারা সকলেই জানে হিন্দুদের মুসলিম বিরোধী অপকীর্তি, তারপরও তা গোপন রাখে, জানতে দেয় না মুসলমানদের। হিন্দু খুনিদের ভালো করে সাজিয়ে সহজ সরল মুসলমানদের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করে, ছিনিমিনি খেলে মুসলমানদের জান-মাল-ইজ্জত নিয়ে। বিস্তারিত জানতে এই নোটটি দেখুন: http://goo.gl/9r037n
 
#

নরখাদক নরেন্দ্র মোদীকে অনেক আগেই সাপোর্ট দিয়েছে আওয়ামী সরকার

নরখাদক নরেন্দ্র মোদিকে অনেক আগেই সাপোর্ট দিয়েছে আওয়ামী সরকার। মোদি ক্ষমতায় আসতে পারে এই আশায় অনেকটা যেচে গিয়েই তার সাথে সম্পর্ক করার চেষ্টা করা হয়েছে। গত জুলাই মাসের শেষ দিকে এই
কাণ্ড ঘটানো হয়।

সে সময় ভারতে নিযুক্ত হাইকমিশনার তারিক এ করিমকে নরেন্দ্র মোদির কাছে সাক্ষাতের জন্য পাঠানো হয়। (ওই বৈঠকের খবর নরেন্দ্র মোদী তার নিজের ওয়েবসাইটে তিনটি ছবিসহ প্রকাশ করেছে।) বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূতের বিশেষ আগ্রহ থেকেই বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়েছে বলে দৈনিক মানবজমিনের কলকাতা প্রতিনিধির পাঠানো প্রতিবেদনে বলা হয়।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল: “২০০২ সালের দাঙ্গার জন্য গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী যেখানে গোটা বিশ্বের কাছে নিন্দিত সেখানে বাংলাদেশের মত মুসলিম দেশের হাইকমিশনার তার সঙ্গে দীর্ঘ বৈঠক করে সাড়া ফেলে দিয়েছে।”

কলকাতা থেকে প্রকাশিত দ্য টেলিগ্রাফ পত্রিকায় লেখা হয়েছে, বিজেপির সম্ভাব্য প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে বাংলাদেশের দূত দেখা করে তাকে যুক্তি দেখানোর সুযোগ করে দিয়েছে যে, মুসলিম প্রধান প্রতিবেশির কাছেও বিশ্বের অন্যান্য প্রান্তের মত মোদীর গ্রহণযোগ্যতা বেড়ে চলেছে। টেলিগ্রাফ একজন বাংলাদেশের কুটনীতিকের মন্তব্য উদ্ধৃত করে বলেছে, নিছক গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে নয়, মোদীর সঙ্গে করিমের এই অস্বাভাবিক বৈঠকের পেছনে কাজ করেছে গভীর কুটনৈতিক কারণ। অথচ ২০০২ সালে গুজরাটে মুসলিম নিধনের সময় এই মোদী কোনও পদক্ষেপ নেয়নি। টেলিগ্রাফ মন্তব্য করেছে, এই বৈঠক বাংলাদেশ বা আওয়ামী লীগকে কতটা সাহায্য করবে তা বলা না গেলেও নরেন্দ্র মোদীর ওয়েবসাইটে এই সৌজন্য সংবাদ গুরুত্বের সঙ্গে প্রচার করা হয়েছে। অনুমান করা যায় আগামী দিনে নির্বাচনী প্রচারেও এই সাক্ষাৎকারের বিষয়টি তুলে ধরা বলা হবে যে, শুধু ভারতের মুসলমানদের কাছেই নয়, ভারতের বাইরের মুসলমানদের কাছেও নরেন্দ্র মোদী সমানভাবে গ্রহণযোগ্য হয়ে উঠেছে।”

সূত্র: http://goo.gl/0zpDC9
#

 পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের জনগণ যে আতঙ্কের মধ্যে বাস করে আসছে, সেই তুলনায় ভারতের মুসলমানগণ অনেক সুখে আছে। হিন্দুদের আধিক্যতা থাকার কারণে কখনো কখনো হিন্দু মুসলিম বিরোধ সৃষ্টি হয় সত্য। কিন্তু রাষ্ট্র কখনো ধর্মের ভিত্তিতে কারো অধিকার হরণ করেছে বলে প্রমাণিত হয়নি। সবমিলিয়ে হিন্দু রাষ্ট্রে বাস করেও মুসলমানরা সুখে আছে যেখানে পাকিস্তান ভারতের মুসলমানদের রাষ্ট্রীয় নিপীড়ন সুস্পষ্ট। পাকিস্তান আর বাংলাদেশে যেখানে মুসলমানরা শান্তিতে নেই। জঙ্গি, সন্ত্রাসী বলে রাষ্ট্র মুসলমান নেতাদের অপবাদ দিচ্ছে সেখানে ভারতের মুসলমানরা অসুখি কোন যুক্তিতে বলবেন?
না ভাই এটি কোন হিন্দুর ব্ক্তব্য নয়। উপরোক্ত মন্তব্যটি এই বাঙ্গাল মুল্লুকে বসবাসকারী এক মহাজ্ঞানী দেওবন্দী(ক্বওমী) সমর্থকের মতামত। (https://www.facebook.com/masum91)

তা ভাই এই মতামতের সাথে আপনি হিন্দু পেজগুলোতে হিন্দুদের মতামতের কোন পার্থক্য দেখতে পান কি? সেখানেও কিন্তু বলা হয়, ভারত এমন একটি দেশ যেখানে মুসলমানরা অনেএএএএএএএ.....ক ভাল আছে। তাই না!

(দেখলাম আমাকে নিয়ে স্ট্যাটাস দিয়েছে ক্বওমী অনলাইন একটিভিস্ট পেজ। তারা কতটা মূর্খতার সাগরে ডুবে রয়েছে এবং অন্ধবিশ্বাসের ভিত্তিতে ঘেউঘেউ করে আপনাদের বিভ্রান্ত করছে, তার বিস্তারিত জানতে নিচের লিঙ্কে যান

http://goo.gl/feqpS6)

#
কোন ব্যক্তিগত আক্রোশ কিংবা দলাদলি আমার দেওবন্দবিরোধী অবস্থানগ্রহণের কারণ নয়। আমার দেওবন্দবিরোধী অবস্থানগ্রহণের কারণ হলো দেওবন্দীরা হিন্দুদের পক্ষাবলম্বন করছে, নরেন্দ্র মোদীর পক্ষাবলম্বন করছে।

এগুলো আজকের বিষয় নয়, সেই ব্রিটিশআমল থেকেই দেওবন্দীরা উপমহাদেশের মুসলমানদের বিভ্রান্ত করে আসছে। সাতচল্লিশে তারা ভারতের পক্ষ নিয়ে বাঙালি মুসলমানদেরকে তাদের ন্যায্য পাওনা থেকে বঞ্চিত করেছে। সেসময়ে আমাদের পূর্বপুরুষগণ দেওবন্দীদের বিপক্ষে ছিলেন বলেই আজ আমরা বাংলাদেশ পেয়েছি।

আমি যা বলেছি, দলিলপ্রমাণ সহযোগেই বলেছি। যদি নরেন্দ্র মোদীর পক্ষে যাওয়ার পরও কেউ দেওবন্দীদের আঁকড়ে ধরে থাকতে চায় সেটা তার ব্যাপার। কিন্তু আমি তাদের অন্তর্ভূক্ত নই, কারণ আমি মুসলমান।----
------
দস্তার রাজদরবার

 দেওবন্দি গুরুরা ভারতে হিন্দুদের তোয়াজ করতে গরু কুরবানীর বিরুদ্ধে ফতোয়া দেয়, বন্দে মাতরম গানের পক্ষে ফতোয়া দেয়, আরো ফতোয়া দেয় হিন্দুদের কাফির বলা যাবেনা। তোমরা যদি এরপরও পা চাটা কুকুর না হও তাহলে কে হবে?
http://www.youtube.com/watch?v=09LHFlyUDYY 


দেওবন্দিরা হিন্দুদের গোলামি করতে গিয়ে শিবসেনাদের অনুকরণে এটাও দাবি করেছে, জম্মু ও কাশ্মীর তথা J&K হলো ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ। তাও সেটা তারা করেছে তাদের সভায় এবং সাংবাদিকদের নিকট তার সাক্ষাৎকারও দিয়েছে। ভিডিও লিঙ্ক নিচে  
http://www.ndtv.com/article/india/future-of-j-k-is-with-india-says-deoband-59063?curl=1389609889

দেওবন্দের বার্ষিক সম্মেলন



Farabi Shafiur Rahman ভাইয়ের স্ট্যাটাসের কারণে আপনারা সবাই পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিষয়টি অবগত হয়েছে। সে এদেশের আলেম সম্প্রদায়কে উদ্দেশ্য করে বলেছে, “হে পশ্চাৎপদ মোল্লা মৌলভী, বল বন্দে মাতরম!” আপনারা সবাই এর তীব্র প্রতিবাদ করেছেন। কারণ ‘বন্দে মাতরম’ একটি শিরকী স্লোগান। মুসলিমবিদ্বেষে ভরপুর বঙ্কিমচন্দ্রের আনন্দমঠ অপন্যাসের অন্তর্গত এই পদটির অর্থ, ‘দেবীর বন্দনা করি’।

এবার আপনাদের সামনে এমন কিছু বিষয় উপস্থাপন করব যা দেখলে আপনাদের অনেকেই প্রতিবাদ তো দূরের কথা, বরং কিভাবে মুসলমানিত্ব বজায়(!) রেখে বন্দে মাতরমের বৈধতা দেয়া যায়, তার গবেষণায় সর্বশক্তি নিয়োগ করবেন।

দেওবন্দের বার্ষিক সম্মেলনগুলোতে ভারতের কথিত নামকরা যোগী ও পুরোহিতদের নিমন্ত্রণ করে আনা হয়। তাদের মধ্যে যোগগুরু রামদেব ও ছি ছি রবিশঙ্করের মত লোকেরাও রয়েছে। এদের পদধুলি দেওবন্দের মাটিতে পড়ায় এদেশের দেওবন্দীদের ভারতীয় টপ লিডাররা এতটাই আহ্লাদিত হয়েছে যে, তারা তাদের মনোরঞ্জনে দ্বীন ইসলামকে তুচ্ছ করে শিরককে প্রাধান্য দিয়ে যোগবিদ্যা থেকে শুরু করে বন্দে মাতরমের পক্ষে ফতোয়া দিতেও কুন্ঠাবোধ করেনি! শুধু তাই নয়, সেসব ফতোয়া দেয়া হয়েছে খোদ দারুল উলুম দেওবন্দের ফতোয়া সেকশন দারুল ইফতা থেকে। সুতরাং তার দায়ভার দেওবন্দ নামক প্রতিষ্ঠানের ওপরেই বর্তায়, কোন নির্দিষ্ট ব্যক্তির ওপর নয়।

দেখুন টিভি ক্যামেরার সামনে তাদের বক্তব্য: www.youtube.com/watch?v=09LHFlyUDYY

এই ফতোয়া নিয়ে তাদের প্রেস রিলিজে তারা বলেছে

'Ulemas won't stop Muslims from singing Vande Mataram'

লিঙ্ক: http://twocircles.net/2009nov09/ulemas_wont_stop_muslims_singing_vande_mataram.html

(লিঙ্কটি ভারতীয় মুসলমানদের দ্বারা চালিত একটি নিউজ পোর্টালের, কোন হিন্দুচালিত সংবাদ সংস্থার নয়)

যে ইংরেজি পড়তে পারে, সে খবরটি দেখেই বুঝতে পারবে। ‘দেওবন্দী উলামারা মুসলমানদের বন্দে মাতরম বলায় বাধা দিবেনা।’

এখন বলুন পাঠকরা, এদেশের দেওঅন্ধরা যে বড়গলায় দাবি করে,দেওবন্দীরা নাকি শেরেক বেদাতের বিরুদ্ধে জিহাদ(!) ঘোষণা করেছে। অথচ তাদের ভারতীয় ওস্তাদরা সব হিন্দুদের পদধূলি মাথায় নিয়ে দ্বীন ইসলামকে ব্যবহার করে ভারতীয় মুসলিমসমাজে শিরকী স্লোগান চালু করতে মত্ত! শুধু তাই নয়, যে যোগবিদ্যা হিন্দুশাস্ত্রের একটি শাখা, সেই যোগবিদ্যাকেও বৈধতা দিয়ে ফতোয়া দিয়েছে দারুল উলুম দেওবন্দ, আরেক হিন্দুগুরু রামদেবের অনুরোধে। তারা এটি বলতেও দ্বিধা করেনি, “নামায হলো যোগসাধনার একটি বিশেষ রূপ”।(নাউযুবিল্লাহ মিন যালিক!)

একটু চিন্তা করুন পাঠকরা, হিন্দুরা যে দাবি করে তাদের মিথ্যা ধর্ম থেকে আমাদের ধর্মটা এসেছে, তা কি দেওবন্দীরা সমর্থন করছে না?

রামদেব সম্পর্কিত নোটের লিঙ্ক: http://tinyurl.com/knfxhts

এখন বলুন দেওবন্দী ভক্তরা। আপনারা যদি এসবের প্রতিবাদ না করে শুধুমাত্র পীযূষের প্রতিবাদ করেন, তা কি ভণ্ডামি নয়? দেওবন্দীদের ফতোয়া অনুযায়ী পীযূষের আহবান তো ঠিকই আছে। আফসোস, এগুলো কেমনতর মাওলানা? যারা মালউনদের সন্তুষ্ট করতে নিজের ধর্মকে পর্যন্ত বিক্রি করে দেয়?

সিরাজউদ্দৌলা ইংরেজদের বিরোধিতা করতে গিয়ে সফল হয়নি, কারণ সে তার প্রাসাদে মীরজাফরের অবস্থান মেনে নিয়েছিল। ঠিক সেভাবে দেওবন্দকে প্রশ্রয় দিয়ে আপনারা কিছুতেই হিন্দুদের জুলুমনির্যাতন থেকে রেহাই পাবেন না। কারণ এই দেওবন্দই ফতোয়া দিয়েছে, হিন্দুদের কাফির বলা যাবে না।(নাউযুবিল্লাহ) হিন্দুরাই যদি কাফির না হয় তাহলে কাফিরটা কে? ঘরের শত্রু বিভীষণ রেখে কি যুদ্ধে জয়ী হওয়া যায়???

শেষে একটি কথাই বলব, তাহলো যারা এতকিছুর পরও সেই ভাঙা রেকর্ড বাজিয়ে চলবে, দেওবন্দ মানেই ইসলাম(!) তাদের বোঝা উচিত, এরকম অন্ধ প্রতিষ্ঠানপূজা কেবলমাত্র আমাদের উপমহাদেশেই দেখা যায়। উপমহাদেশের বাইরে যেসব মুসলমান ভাইয়েরা রয়েছে তারা আমাদের তুলনায় অনেক অনেক এগিয়ে গিয়েছে কারণ তাদের চিন্তাচেতনা কোন নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠানের শেকলে বাঁধা নেই, কিন্তু আমরা যে তিমিরে সে তিমিরেই পড়ে রয়েছি। দেওবন্দীদের কারণে আসাম আমাদের হাতছাড়া হয়েছে, কলকাতা আমাদের হাতছাড়া হয়েছে। সেসব জায়গায় প্রতিনিয়ত দাঙ্গায় বহু মুসলমান শহীদ হচ্ছে। অচিরেই দেওবন্দীদের কারণে আপনারা দেখবেন ভারতীয় মুসলমানদের একটি বড় অংশ নরেন্দ্র মোদীকে সাপোর্ট দিচ্ছে, যা আমি আগের স্ট্যাটাসে উল্লেখ করেছি।

মুসলমানরা ফিকির করুন, আপনার নিকট ইসলাম বড়, মুসলমান বড়, মুসলমান মা বোনদের ইজ্জত বড়? না দেওবন্দ ও তাদের অন্ধ অনুসরণ বড়? ফিকির করুন, কিছুক্ষণ চিন্তাফিকির করাটা ষাট বছর নফল ইবাদতের চেয়ে উত্তম। আল্লাহপাক আমাদের সবাইকে হিদায়েত নসীব করুন। আমীন।

মুসলমানের সাথে মুসলমানের ঐক্য হয়, মোদীভক্তের সাথে কিংবা বন্দে মাতরম সমর্থনকারীদের সাথে নয়।

মোদীকে সমর্থন করতে গিয়ে যেখানে দেওবন্দীরা ভারতীয় মুসলিম সম্প্রদায়কে দুভাগে ভাগ করে দিচ্ছে, সেখানে পোস্টদাতাকে দোষারোপ করার কোন যৌক্তিকতা নেই। (http://goo.gl/NKBMBt)



তসলিমাকে বিরোধিতার অবস্থান থেকে সরে এসে তাকে সমর্থন করাটা কোন কৌশলের অন্তর্ভূক্ত? যেখানে তসলিমা কিনা এখনো ইসলামবিদ্বেষী লেখালেখি করে যাচ্ছে।

একটি বিষয় বোঝার চেষ্টা করবেন, তাহলো আপনাদের মত সাধারণ মানুষদের অন্ধভক্তিই এসব ধর্মব্যবসায়ীদের
সবচেয়ে বড় শক্তি।

http://ns.bdnews24.com/bangla/details.php?id=69508&cid=21

//যে জমিয়তে উলামায়ে হিন্দ তসলিমার বিরুদ্ধে সোচ্চার ছিল তার নেতা মৌলানা মেহমুদ মাদানি জানান, "পবিত্র ইসলামেই আছে, কোন ব্যক্তি ক্ষমা চাইলে তাকে ক্ষমা করে দেওয়াই উচিত। তসলিমা যখন ক্ষমা চেয়েছেন, তখন তাকে ক্ষমা করে দেওয়াই ঠিক কাজ হবে। তিনি যেখানে থাকতে চান, সেখানেই তাকে থাকতে দেওয়া হোক।"

ক'দিন অগে এই মৌলানাই তসলিমাকে ভারত থেকে অন্যত্র পাঠানোর দাবিতে সরব ছিলেন



দস্তার রাজদরবার

দেওবন্দের কথিত স্বাধীনতা



ধর্মনিরপেক্ষতাকে, সমাজতন্ত্রকে (সর্বোপরি হিন্দুত্বকে!) কেন্দ্র করে দেওবন্দের কথিত স্বাধীনতার ইতিহাস আবর্তিত হয়েছে।

----- দস্তার রাজদরবার 28 October 2013 at 22:02

দেওবন্দের সম্মেলনে রামদেবের হাত উঁচিয়ে সংহতি প্রকাশ করছে হুসাইন মদনির নাতি মেহমুদ মদনি

দেওবন্দের সম্মেলনে রামদেবের হাত উঁচিয়ে সংহতি প্রকাশ করছে হুসাইন মদনির নাতি মেহমুদ মদনি


(আমার এই নোট শিক্ষিত সজ্জন মুসলমানদের জন্য। তারা এই নোটের বক্তব্যের স্বপক্ষে ঐতিহাসিক দলিল পাবেন, পাবেন চিন্তার খোরাক। কোন দলান্ধ মূর্খ ব্যক্তি, যার নিকট দ্বীন ইসলামের তুলনায় নিজের প্রাতিষ্ঠানিক বা দলীয় মতাদর্শ প্রাধান্য পায়, তাদেরকে এই নোটের আলোচনার পরিবেশ নষ্ট না করার উপদেশ দিচ্ছি)

ইতিহাস হলো বহমান নদীর ন্যায়। সেই নদীর স্রোতকে নিয়ন্ত্রণ করে তারা, যারা সিংহাসনে আসীন থাকে। সাধারণ মানুষ তাদের হাতের পুতুল মাত্র। তারা তাদের অতীত ইতিহাস দেখে ক্ষমতাসীনদের চোখ দিয়ে, কিংবা তারা যেভাবে চায়।

দেওবন্দীদের বর্তমান হালহাক্বীকত তুলে ধরায় তারা এখন অনেকখানিই বিপর্যস্ত। কারণ ডুবন্ত জাহাজকে আঁকড়ে ধরে থাকলে মৃত্যু ছাড়া উপায় নেই। তাদের অনেকেই তাদের অতীত ইতিহাস নিয়ে  নানাভাবে মানুষকে বুঝিয়ে যাচ্ছে। তারা নিজেদেরকে দাবি করছে ভারতের স্বাধীনতাসংগ্রামের হর্তাকর্তা হিসেবে। এখন বিষয়টি হলো, গান্ধীও স্বাধীনতা চেয়েছিল। ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে স্বাধীনতা চেয়েছিল কমিউনিস্টরাও। তারা কিন্তু মুসলমানদের অন্তর্ভূক্ত নয়, অথবা বলা যায় তারা মুসলমানদের জন্য স্বাধীনতা চায়নি। তারা স্বাধীনতা চেয়েছিল মুসলমানদের ওপর যুলুমনির্যাতন চালাতে।

ঠিক সেভাবেই দেওবন্দের অতীত ইতিহাস পর্যালোচনা করলে দেখা যায় যে, তারা স্বাধীনতা চেয়েছিল, জেল খেটেছিল হিন্দুদের জন্য, ধর্মনিরপেক্ষতার জন্য। এমনকি কমিউনিজমের জন্যও!  ইসলামের জন্য নয়, মুসলমানদের জন্য তো নয়ই। সুতরাং মুসলমানদের কর্তব্য হলো, তাদের হাক্বীকত সম্পর্কে জানা। যেন তারা তাদের কর্মপন্থা ঠিক করে নিতে পারে।

প্রথম আলোচনা

১৯৩৯ সালে বাংলাদেশের রংপুরে কংগ্রেসের তরফ থেকে একটি পুস্তিকা বিতরণ করা হয়। সেখানে কংগ্রেসের পক্ষে মুসলমানদের সমর্থনলাভের উদ্দেশ্যে দেওবন্দী মৌলভীদের দোহাই দেয়া হয়। পুস্তিকাটিতে লেখা ছিল
১৮৮৮ সালে.... মুসলমানরা.....সে যুগের উলেমাগণের নিকট জানতে চান.....মুসলমানদের কংগ্রেসে যোগ দিয়ে ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনে হিন্দুদের সাথে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করা যথার্থ কিনা...... এর জবাবে সেই ১৮৮৮ সালে শত শত উলেমা যেমন, এনামুল উলেমা কুতুবুল আহতাব, হযরত শাহ রশিদ আহমদ গাঙ্গুহি....মাওলানা মাহমুদ হাসান একে যথার্থ বলে দাবি করেন। (সূত্র: বাঙলা ভাগ হলো, জয়া চ্যাটার্জি)

আমরা জানি, কংগ্রেস নামক দলটি ব্রিটিশআমলে ভারতবর্ষের হিন্দুদের প্রতিনিধিত্ব করত। ব্রিটিশআমলে অসংখ্য মুসলিম নিধনকারী দাঙ্গার হোতা হল এই কংগ্রেস। বঙ্গভঙ্গ রদের সময়ই এতদাঞ্চলের মুসলমানরা তাদের আসল চেহারা বুঝে গিয়েছিল, অনেক মুসলমান সন্তান যারা ভুল বুঝে কংগ্রেসের নৌকায় উঠেছিল তারা পরবর্তীতে তা পরিত্যাগ করে।

কিন্তু এই কংগ্রেসই মুসলমানদের সমর্থনে ভারতবর্ষের বিরাট মুসলিস অধ্যুষিত অঞ্চল দখলে নিল। কারণটা কি? কারণটা হলো এই দেওবন্দ। তারা দ্বীন ইসলামের আহবানকে অস্বীকার করে, গরু কুরবানীর বিরুদ্ধে গান্ধীর আহবানে ফতোয়া দিয়ে, হিন্দুর সাথে গলায় গলা মিলিয়ে স্বাধীনতা(!) অর্জন করতে বলায় তখনই তাদের ধর্মের বারোটা তো বেজেছিলই, স্বাধীনতাও যে তারা পায়নি তা এখন ভারতের মুসলমানদের অবস্থা দেখলেই বোঝা যায়।

দেওবন্দের কথায় অখণ্ড ভারত সমর্থন করে ভারতের মুসলমানদের আমছালা দুটোই গিয়েছে, কারণ তাদের দেওবন্দী ওস্তাদরা স্বাধীনতার(!) স্বার্থে এই বিষয়টিকে অগ্রাহ্য করেছে যে,  “কাফির মুশরিকরা মুসলমানদের শত্রু। তারা কখনো মুসলমানদের ভাল চাইবে না।”

 দ্বিতীয় আলোচনা




আগের আলোচনা নিয়ে অনেকে গাঁইগুঁই করতে পারে। সারাদিন মালউনের তোয়াজ করা ভারতীয় দেওবন্দীদের বিরোধিতা করতে গিয়ে মালউন মহিলার বইয়ের সূত্র দিয়েছি আমি! যদিও সূত্রের তথ্যটি আদতে তৎকালীন সময়ে এহসানুল হক এফেন্দীর নামক একজনের রচিত ‘বর্তমান রাজনৈতিক সঙ্কট ও মুসলমানদের কর্তব্য’ নামক বইয়ের থেকে নেয়া হয়েছে, তবু দলকানা দেওবন্দীরা তা মানবে কেন? তবে আমি আগেই বলে নিয়েছি, এই লেখাটি শিক্ষিত সচেতন মুসলমান ভাইদের জন্য। যারা এক আধটু পড়াশোনা করেন, তারা বুঝবেন আমি কোন যেনতেন জায়গা থেকে রেফারেন্স দেইনি। বরং আমি বলব, উপরের বইটি সব মুসলমানের পড়া উচিত। কারণ বইটি লেখাই হয়েছে বাংলা ভাগের পেছনে হিন্দুদের সাম্প্রদায়িকতা যে মূলত দায়ী, মুসলমানরা যে দায়ী নয় তা প্রমাণ করে।

যাই হোক এবার পাকিস্তানের ডন পত্রিকা থেকে রেফারেন্স দেব। এবার আলোচনা করব উবাইদুল্লাহ সিন্ধিকে নিয়ে। যার দোহাই দিয়ে দেওবন্দীরা স্বাধীনতা আন্দোলনের কৃতিত্ব দাবি করে।

কিন্তু ডন পত্রিকাতে বলা হয়েছে,  মাও. উবাইদুল্লাহ সিন্ধি ছিলেন সেসব লোকদের একজন, যারা প্রথমদিকের সময়টাতে লেনিনের কমিউনিস্ট আন্দোলনে সমর্থন জানিয়েছিলেন!
IS Islam compatible with socialism? The question is asked because tomany ‘socialism’ means an atheistic philosophy, and at the very core of Islamicteachings is the belief in one God. How can then Islam and socialism gotogether?

However, this is not the correct view. Many noted ulema had acceptedsocialism as an essential part of Islamic teachings. In India, Maulana HasratMohani and Maulana Ubaidullah Sindhi enthusiastically supported the communistmovement. Maulana Mohani was one of the founders of the Communist Party ofIndia.
Maulana Ubaidullah Sindhi, who had migrated to Afghanistan during theKhilafat movement and had formed a transition government there along withMahendra Pratap Singh, left for Russia when the king of Afghanistan came underpressure from the British to expel the members of this government. In Moscow theymet Lenin and discussed with him the strategies to fight British colonialism.Maulana Sindhi returned to India only in the early 1940s.

সূত্র: ১) http://dawn.com/news/642407/of-socialism-and-islam
Chased by the authorities during the First World War, Sindhi escaped to Kabul, and from Kabul he traveled to Russia where he witnessed the unfolding of the 1917 Bolshevik Revolution.
He stayed in Russia till 1923 and spent most of his time discussing politics and ideology with communist revolutionaries and studying socialism.
Impressed by the chants of economic equality and justice during the violent revolution, Sindhi, who remained being a Deobandi Sunni Muslim, dismissed communism/Marxism’s emphasis on atheism.
From Russia Sindhi traveled to Turkey and it was from Istanbul that he began to give shape to his ideas of Islamic Socialism through a series of writings especially aimed at the Muslims of India.
He urged Muslims ‘to evolve for themselves a religious basis to arrive at the economic justice at which communism aims but which it cannot fully achieve.’


    সূত্র: http://dawn.com/news/787645/islamic-socialism-a-history-from-left-to-right

এখানে স্পষ্টতই বলা হয়েছে, মাও. সিন্ধি কমিউনিস্ট আন্দোলনের সমর্থনকারী ছিলেন। শুধু তাই নয়, তিনি মুসলমানদের কমিউনিজমের প্রতি আগ্রহী করতে লেখালেখি করেছেন তারও প্রমাণ রয়েছে। 

উইকিতে মাও. সিন্ধি সম্পর্কে দেয়া হয়েছে আরো চমকপ্রদ তথ্য। নিন্মে উইকি থেকে নেয়া বাক্যগুলো যদিও দেওবন্দীদের দ্বারা রচিত হয়েছে, তবুও সেখানে বলা হয়েছে তিনি লেনিনের সাক্ষাৎপ্রার্থী হয়েও দেখা করতে পারেননি লেনিনের অসুস্থতার জন্য, কিন্তু তিনি রাশিয়াতে প্রায় সাতমাস অবস্থান করেছিলেন রাষ্ট্রীয় অতিথি হিসেবে। সেসময় তিনি কমিউনিজম নিয়ে প্রচুর পড়াশোনা করেন।
Ubaidullah proceeded to Russia, where he spent sevenmonths at the invitation of the Soviet leadership, and was afforded officialtreatment as a guest of the state. During this period, he studied the ideologyof socialism.


পাঠক, একটু মাথা খাটালেই বুঝতে পারবেন যে, কমিউনিস্ট আন্দোলনকে সমর্থন ও তাকে ছড়িয়ে দেয়ার কারণেই মাও. সিন্ধিকে রাশিয়া রাষ্ট্রীয় অতিথি হিসেবে সাদর সম্ভাষণ দিয়ে নিয়ে গিয়েছে। অর্থাৎ মাও. সিন্ধির স্বাধীনতার চেতনা ছিল অনেকটাই সমাজতন্ত্র মিশ্রিত! দ্বীন ইসলাম যা আদৌ সমর্থন করেনা। সুতরাং তা নিয়ে দেওবন্দের গলাবাজি নিতান্তই বিরক্তিকর ও তাদের মূর্খতার পরিচায়ক। মাও. উবাইদুল্লাহ সিন্ধি মুসলমানদের অনুসরণীয় হতে পারেন না। তাছাড়া তার মূল সহযোগী ছিল আর্যসমাজের সাথে জড়িত মহেন্দ্রপ্রতাপ। বর্তমানে হিন্দু পেজগুলোতে বিশেষভাবে ইসলামকে টার্গেট করে যেসব বক্তব্য দেয়া হচ্ছে সেগুলো কিন্তু আর্যসমাজী মতাদর্শের অনুসারীরাই দিচ্ছে।  ইতিহাস বলছে, স্বাধীনতার জন্য (ইসলামের জন্য নয়?) দেওবন্দীরা ব্রিটিশভারতে হিন্দু কিংবা কমিউনিস্ট, কারো সাথে তাল দিতে বাকি রাখেনি।

মাওলানাদের কমিউনিস্ট হয়ে ওঠার বিষয়টি অনেকের নিকট অস্বাভাবিক মনে হতে পারে, তাদের জানা দরকার যে মাও. ভাসানীও ছিলেন সক্রিয় পিকিংপন্থী কমিউনিস্ট। তার উপাধিই ছিল, ‘লাল মাওলানা’।  বাংলায় কমিউনিস্ট আন্দোলনের জনক কমরেড মুজফফরও মাদরাসার ছাত্র ছিলেন।

এটি আমার আলোচনার প্রথমপর্ব। নোটের কলেবর বৃদ্ধি হয়ে যাচ্ছে দেখে দ্বিতীয়পর্বে (হিন্দুদের) স্বাধীনতার জন্য হোসাইন মদনীর ধর্মনিরপেক্ষ(ইসলামিক নয়) জাতীয়তাবাতী আদর্শের বিষয়টি তুলে ধরা হবে ইনশাআল্লাহ।