এবার নরখাদক নরেন্দ্র মোদির পক্ষে সাফাই গাওয়া শুরু করেছে দেওবন্দ। হুসাইন মাদানির নাতি ও আসাদ মাদানির ছেলে জমিয়তে উলামায়ে হিন্দের জেনারেল সেক্রেটারি মেহমুদ মাদানি গত ১৫ই অক্টোবর তার বক্তব্যে এমনটাই ব্যক্ত করেছে। মেহমুদ তার বক্তব্যে বলেছে, “মুসলিমদের অযথা মোদীকে ভয় পাওয়ার দরকার নেই৷ কংগ্রেস চেষ্টা করছে মুসলিমদের মোদীর ভয় দেখাতে।” মেহমুদ এর এ বক্তব্য নিঃসন্দেহে মোদির জন্য এক বড় প্রাপ্তি। কারণ নির্বাচনে জিততে কিছুদিন ধরেই মোদী মুসলিমদের মন পেতে চাইছে। কাজেই মেহমুদ মাদানির মোদির পক্ষে নরম অবস্থান নিঃসন্দেহে মোদীকে খুশি করবে।
মেহমুদের সাক্ষাৎকারের ইউটিউব লিঙ্ক: http://www.youtube.com/
আরেকটি ইউটিউব লিঙ্ক
Congress trying to create Modi fear in Muslims: Mahmood Madani
http://www.youtube.com/
মোদীর পাশে দাপুটে মাদানি, বিপাকে কংগ্রেস
http://bengali.oneindia.in/
উল্লেখ্য, এর আগেও গত মার্চে এক সাক্ষাৎকারে মেহমুদ মাদানি মোদির পক্ষে নরম সুরে কথা বলেছিল। (http://www.youtube.com/
গত কয়েকদিনে আমাকে বহু অপমান, ব্যক্তিগত আক্রমণের সম্মুখীন হতে হয়েছে দেওবন্দ সম্পর্কিত সত্য বিষয়গুলো প্রকাশ করায়। দেওবন্দীরা আমার এবং des wa ভাইয়ের বিরোধিতার স্বার্থে এরকম দাবি করতেও দ্বিধা করেনি যে, ভারতের হিন্দুরা নাকি বাংলাদেশ আর পাকিস্তানের মুসলমানদের চেয়েও সেদেশের মুসলমানদের ভাল রেখেছে!
মেহমুদ মাদানির মোদীর পক্ষাবলম্বন নিয়ে অনেকে বিষয়টি হালকা করে দেখার প্রয়াস পেতে পারে, তাদেরকে আবারও স্মরণ করিয়ে দিচ্ছি যে এই মেহমুদ হল হুসেন মাদানির নাতি। গত ২০০৭ সালে যখন কলকাতার মুসলমানরা তসলিমাকে কলকাতায় নিষিদ্ধ করেছিল ‘দ্বিখণ্ডিত’ লেখার কারণে, তখন এই মেহমুদই তসলিমার পাশে দাঁড়িয়েছিল। তাকে নিয়ে খবরে এসেছিল
“যে জমিয়তে উলামায়ে হিন্দ তসলিমার বিরুদ্ধে সোচ্চার ছিল তার নেতা মৌলানা মেহমুদ মাদানি জানান, "পবিত্র ইসলামেই আছে, কোন ব্যক্তি ক্ষমা চাইলে তাকে ক্ষমা করে দেওয়াই উচিত। তসলিমা যখন ক্ষমা চেয়েছেন, তখন তাকে ক্ষমা করে দেওয়াই ঠিক কাজ হবে। তিনি যেখানে থাকতে চান, সেখানেই তাকে থাকতে দেওয়া হোক।"
ক'দিন অগে এই মৌলানাই তসলিমাকে ভারত থেকে অন্যত্র পাঠানোর দাবিতে সরব ছিলেন।”
সূত্র: http://ns.bdnews24.com/bangla/
পাঠকগণ আপনারাই চিন্তা করুন। সেই ২০০৭ সালে কলকাতায় তসলিমাবিরোধী আন্দোলনের উত্তাল সময়ে এরকম বক্তব্য দেয়ার পরও কিন্তু এদেশের দেওবন্দীদের জনকের সমতুল্য হুসেন মাদানির নাতি হওয়ার সুবাদে মেহমুদের পদের কোন নড়চড় হয়নি। কারণ তাদের সমর্থকরা তাদের ওস্তাদদের কোন দোষ দেখতে পায় না, আর পাবেই বা কেন? তারা যে অন্ধ! অন্ধ না হলে কি কেউ বলে, এদেশের চেয়ে ভারতে মুসলমানরা ভাল আছে? শুধু তাই নয়, উক্ত অন্ধের লেখা হুবহু কপি করে দিয়েছে কওমী অনলাইন এক্টিভিস্ট পেজ।
পরিশেষে এটাই বলতে চাই, এদেশের মানুষের অজ্ঞতাকে পুঁজি করেই দেওবন্দীরা এদেশে তাদের প্রভাব বিস্তার করে রয়েছে। এদেশের মানুষ জানেনা যে তারা ভারতে গরু কুরবানীর বিরুদ্ধে ফতোয়া জারি করছে। এদেশের মানুষ জানেনা যে তারা ভারতে হিন্দুদের কাফির বলার বিরুদ্ধে ফতোয়া জারি করছে। তারা জানেনা, তারা কিছুই জানেনা। তারা বাংলাদেশে বসে দেওবন্দের কথিত উচ্চতা(!) নিয়ে নানাবিধ কল্পকাহিনীতে মশগুল।
কিন্তু একটি বিষয় বোঝার চেষ্টা করুন, তাহলো ভারতে বিশ্ব হিন্দু পরিষদের নির্দেশে হিন্দুদের কাফির বলার বিরুদ্ধে ফতোয়া কিংবা গরু কুরবানীর বিরুদ্ধে ফতোয়ার রেশ এই ছাপ্পান্ন হাজার বর্গমাইলে এসে পৌছায়না বলেই আপনারা সেগুলো জানেননা, আর জানেননা বলেই দেওবন্দ নিয়ে দিবাস্বপ্ন দেখার অবকাশ পান। সেই অবকাশের ফুরসৎটুকু কিন্তু আর থাকবেনা, কারণ ২০১৪ সাল চলে এসেছে। ভারতের নির্বাচনকে সামনে রেখে মোদির প্রতি দেওবন্দীদের সমর্থনও দিনদিন প্রকটরূপ লাভ করছে। ভারতের পত্রপত্রিকা ও টিভি চ্যানেলে তা নিয়ে চলছে তুমুল আলোচনা।ভারতের স্বাধীনতা থেকে কংগ্রেসের সাপোর্টার হিসেবে সিলমারা দেওবন্দীরা হাওয়া বুঝতে পেরে নরেন্দ্র মোদীর শিবিরে যোগ দিয়েছে দেখে কংগ্রেস নেতারা তাদের ওপর বেজায় খাপ্পা। (সেগুলোর ইউটিউব লিঙ্ক দেয়া হয়েছে) তার রেশ আজ হোক কাল হোক, আপনার আমার মতো শিক্ষিত লোকের গায়ে লাগবে বৈকি! কারণ মোদির বিষয়টি শুধু ভারতবর্ষে সীমাবদ্ধ নয়, এটি গোটা উপমহাদেশের অন্যতম প্রধান রাজনৈতিক বিষয়। আজ হোক কাল হোক, এদেশের মিডিয়াতেও এগুলো হট টপিক হয়ে উঠবে।
সুতরাং দেওবন্দীদের প্ররোচনায় আজ আমাকে যতোই দুয়ো দিন, যতই অপমান করুন না কেন, যখন সময় আসবে তখন ঠিকই আমার আলোচনার বিষয়গুলো আপনাদের নিকট ডালভাত হয়ে যাবে। একটি সময় আসবে, যখন মোদিপ্রীতির জন্য আপনারাই দেওবন্দীদের ধিক্কার দিবেন। হয়তো সেদিন অনেক দেরি হয়ে যাবে, তাই আগেই সাবধান হোন।
সেদিন যেন মনে থাকে, দস্তার রাজদরবার আগেই আপনাদের সাবধান করে দিয়েছিল। সেদিন যেন মনে থাকে।
সাম্প্রতিক আপডেট(২৬শে অক্টোবর ২০১৩):
১) কংগ্রেসরা গুজরাটে মুসলিম নিধনে জড়িত তা ১১ বছর পর প্রকাশ করলো মেহমুদ মাদানি (যখন গুজরাট দাঙ্গার বিচারকার্য শেষ)। মুসলমানদের স্বার্থে নয়, সে যখন দল পরিবর্তন করছে সেই স্বার্থে। এখন এক হিন্দু জালেমকে ত্যাগ করে অন্য হিন্দু জালেমের সাথে হাত মিলাচ্ছে। যদিও মোদির নির্বাচনী ওয়াদা হচ্ছে, বাবরী মসজিদ এর স্থানে রামমন্দির প্রতিষ্ঠা, কিন্তু তারপরও সে বলছে, মুসলমানদের মোদিকে ভয় পাওয়ার কোনই কারণ নেই!!!
২) কংগ্রেস যে মুসলিম নিধনে জড়িত তা কি আরশাদ জানে না?? অবশ্যই জানে। কিন্তু রাজনৈতিক ফায়দা হাসিলের জন্য তা মুসলমানদের কাছে গোপন রেখেছে এবং মোদির বিরুদ্ধে কংগ্রেসের হয়ে রাজনৈতিক ফাইট দিয়ে যাচ্ছে ।
বিষয়টি তাহলে পরিষ্কার, দেওবন্দীরা তাদের গোপন স্বার্থ (টাকা হওয়াটাই স্বাভাবিক) এর জন্য কংগ্রেস আর বিজেপিকে মুসলমানদের ভোট পেয়ে দিতে সাহায্য করে। তারা সকলেই জানে হিন্দুদের মুসলিম বিরোধী অপকীর্তি, তারপরও তা গোপন রাখে, জানতে দেয় না মুসলমানদের। হিন্দু খুনিদের ভালো করে সাজিয়ে সহজ সরল মুসলমানদের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করে, ছিনিমিনি খেলে মুসলমানদের জান-মাল-ইজ্জত নিয়ে। বিস্তারিত জানতে এই নোটটি দেখুন: http://goo.gl/9r037n —
#
নরখাদক নরেন্দ্র মোদীকে অনেক আগেই সাপোর্ট দিয়েছে আওয়ামী সরকার
নরখাদক নরেন্দ্র মোদিকে অনেক আগেই সাপোর্ট দিয়েছে আওয়ামী সরকার। মোদি ক্ষমতায় আসতে পারে এই আশায় অনেকটা যেচে গিয়েই তার সাথে সম্পর্ক করার চেষ্টা করা হয়েছে। গত জুলাই মাসের শেষ দিকে এই কাণ্ড ঘটানো হয়।
সে সময় ভারতে নিযুক্ত হাইকমিশনার তারিক এ করিমকে নরেন্দ্র মোদির কাছে সাক্ষাতের জন্য পাঠানো হয়। (ওই বৈঠকের খবর নরেন্দ্র মোদী তার নিজের ওয়েবসাইটে তিনটি ছবিসহ প্রকাশ করেছে।) বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূতের বিশেষ আগ্রহ থেকেই বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়েছে বলে দৈনিক মানবজমিনের কলকাতা প্রতিনিধির পাঠানো প্রতিবেদনে বলা হয়।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল: “২০০২ সালের দাঙ্গার জন্য গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী যেখানে গোটা বিশ্বের কাছে নিন্দিত সেখানে বাংলাদেশের মত মুসলিম দেশের হাইকমিশনার তার সঙ্গে দীর্ঘ বৈঠক করে সাড়া ফেলে দিয়েছে।”
কলকাতা থেকে প্রকাশিত দ্য টেলিগ্রাফ পত্রিকায় লেখা হয়েছে, বিজেপির সম্ভাব্য প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে বাংলাদেশের দূত দেখা করে তাকে যুক্তি দেখানোর সুযোগ করে দিয়েছে যে, মুসলিম প্রধান প্রতিবেশির কাছেও বিশ্বের অন্যান্য প্রান্তের মত মোদীর গ্রহণযোগ্যতা বেড়ে চলেছে। টেলিগ্রাফ একজন বাংলাদেশের কুটনীতিকের মন্তব্য উদ্ধৃত করে বলেছে, নিছক গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে নয়, মোদীর সঙ্গে করিমের এই অস্বাভাবিক বৈঠকের পেছনে কাজ করেছে গভীর কুটনৈতিক কারণ। অথচ ২০০২ সালে গুজরাটে মুসলিম নিধনের সময় এই মোদী কোনও পদক্ষেপ নেয়নি। টেলিগ্রাফ মন্তব্য করেছে, এই বৈঠক বাংলাদেশ বা আওয়ামী লীগকে কতটা সাহায্য করবে তা বলা না গেলেও নরেন্দ্র মোদীর ওয়েবসাইটে এই সৌজন্য সংবাদ গুরুত্বের সঙ্গে প্রচার করা হয়েছে। অনুমান করা যায় আগামী দিনে নির্বাচনী প্রচারেও এই সাক্ষাৎকারের বিষয়টি তুলে ধরা বলা হবে যে, শুধু ভারতের মুসলমানদের কাছেই নয়, ভারতের বাইরের মুসলমানদের কাছেও নরেন্দ্র মোদী সমানভাবে গ্রহণযোগ্য হয়ে উঠেছে।”
সূত্র: http://goo.gl/0zpDC9
নরখাদক নরেন্দ্র মোদিকে অনেক আগেই সাপোর্ট দিয়েছে আওয়ামী সরকার। মোদি ক্ষমতায় আসতে পারে এই আশায় অনেকটা যেচে গিয়েই তার সাথে সম্পর্ক করার চেষ্টা করা হয়েছে। গত জুলাই মাসের শেষ দিকে এই কাণ্ড ঘটানো হয়।
সে সময় ভারতে নিযুক্ত হাইকমিশনার তারিক এ করিমকে নরেন্দ্র মোদির কাছে সাক্ষাতের জন্য পাঠানো হয়। (ওই বৈঠকের খবর নরেন্দ্র মোদী তার নিজের ওয়েবসাইটে তিনটি ছবিসহ প্রকাশ করেছে।) বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূতের বিশেষ আগ্রহ থেকেই বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়েছে বলে দৈনিক মানবজমিনের কলকাতা প্রতিনিধির পাঠানো প্রতিবেদনে বলা হয়।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল: “২০০২ সালের দাঙ্গার জন্য গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী যেখানে গোটা বিশ্বের কাছে নিন্দিত সেখানে বাংলাদেশের মত মুসলিম দেশের হাইকমিশনার তার সঙ্গে দীর্ঘ বৈঠক করে সাড়া ফেলে দিয়েছে।”
কলকাতা থেকে প্রকাশিত দ্য টেলিগ্রাফ পত্রিকায় লেখা হয়েছে, বিজেপির সম্ভাব্য প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে বাংলাদেশের দূত দেখা করে তাকে যুক্তি দেখানোর সুযোগ করে দিয়েছে যে, মুসলিম প্রধান প্রতিবেশির কাছেও বিশ্বের অন্যান্য প্রান্তের মত মোদীর গ্রহণযোগ্যতা বেড়ে চলেছে। টেলিগ্রাফ একজন বাংলাদেশের কুটনীতিকের মন্তব্য উদ্ধৃত করে বলেছে, নিছক গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে নয়, মোদীর সঙ্গে করিমের এই অস্বাভাবিক বৈঠকের পেছনে কাজ করেছে গভীর কুটনৈতিক কারণ। অথচ ২০০২ সালে গুজরাটে মুসলিম নিধনের সময় এই মোদী কোনও পদক্ষেপ নেয়নি। টেলিগ্রাফ মন্তব্য করেছে, এই বৈঠক বাংলাদেশ বা আওয়ামী লীগকে কতটা সাহায্য করবে তা বলা না গেলেও নরেন্দ্র মোদীর ওয়েবসাইটে এই সৌজন্য সংবাদ গুরুত্বের সঙ্গে প্রচার করা হয়েছে। অনুমান করা যায় আগামী দিনে নির্বাচনী প্রচারেও এই সাক্ষাৎকারের বিষয়টি তুলে ধরা বলা হবে যে, শুধু ভারতের মুসলমানদের কাছেই নয়, ভারতের বাইরের মুসলমানদের কাছেও নরেন্দ্র মোদী সমানভাবে গ্রহণযোগ্য হয়ে উঠেছে।”
সূত্র: http://goo.gl/0zpDC9
পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের জনগণ যে আতঙ্কের মধ্যে বাস করে আসছে, সেই তুলনায় ভারতের মুসলমানগণ অনেক সুখে আছে। হিন্দুদের আধিক্যতা থাকার কারণে কখনো কখনো হিন্দু মুসলিম বিরোধ সৃষ্টি হয় সত্য। কিন্তু রাষ্ট্র কখনো ধর্মের ভিত্তিতে কারো অধিকার হরণ করেছে বলে প্রমাণিত হয়নি। সবমিলিয়ে হিন্দু রাষ্ট্রে বাস করেও মুসলমানরা সুখে আছে যেখানে পাকিস্তান ভারতের মুসলমানদের রাষ্ট্রীয় নিপীড়ন সুস্পষ্ট। পাকিস্তান আর বাংলাদেশে যেখানে মুসলমানরা শান্তিতে নেই। জঙ্গি, সন্ত্রাসী বলে রাষ্ট্র মুসলমান নেতাদের অপবাদ দিচ্ছে সেখানে ভারতের মুসলমানরা অসুখি কোন যুক্তিতে বলবেন?
না ভাই এটি কোন হিন্দুর ব্ক্তব্য নয়। উপরোক্ত মন্তব্যটি এই বাঙ্গাল মুল্লুকে বসবাসকারী এক মহাজ্ঞানী দেওবন্দী(ক্বওমী) সমর্থকের মতামত। (https://www.facebook.com/
তা ভাই এই মতামতের সাথে আপনি হিন্দু পেজগুলোতে হিন্দুদের মতামতের কোন পার্থক্য দেখতে পান কি? সেখানেও কিন্তু বলা হয়, ভারত এমন একটি দেশ যেখানে মুসলমানরা অনেএএএএএএএ.....ক ভাল আছে। তাই না!
(দেখলাম আমাকে নিয়ে স্ট্যাটাস দিয়েছে ক্বওমী অনলাইন একটিভিস্ট পেজ। তারা কতটা মূর্খতার সাগরে ডুবে রয়েছে এবং অন্ধবিশ্বাসের ভিত্তিতে ঘেউঘেউ করে আপনাদের বিভ্রান্ত করছে, তার বিস্তারিত জানতে নিচের লিঙ্কে যান
http://goo.gl/feqpS6)
#
কোন ব্যক্তিগত আক্রোশ কিংবা দলাদলি আমার দেওবন্দবিরোধী অবস্থানগ্রহণের কারণ নয়। আমার দেওবন্দবিরোধী অবস্থানগ্রহণের কারণ হলো দেওবন্দীরা হিন্দুদের পক্ষাবলম্বন করছে, নরেন্দ্র মোদীর পক্ষাবলম্বন করছে।
এগুলো আজকের বিষয় নয়, সেই ব্রিটিশআমল থেকেই দেওবন্দীরা উপমহাদেশের মুসলমানদের বিভ্রান্ত করে আসছে। সাতচল্লিশে তারা ভারতের পক্ষ নিয়ে বাঙালি মুসলমানদেরকে তাদের ন্যায্য পাওনা থেকে বঞ্চিত করেছে। সেসময়ে আমাদের পূর্বপুরুষগণ দেওবন্দীদের বিপক্ষে ছিলেন বলেই আজ আমরা বাংলাদেশ পেয়েছি।
আমি যা বলেছি, দলিলপ্রমাণ সহযোগেই বলেছি। যদি নরেন্দ্র মোদীর পক্ষে যাওয়ার পরও কেউ দেওবন্দীদের আঁকড়ে ধরে থাকতে চায় সেটা তার ব্যাপার। কিন্তু আমি তাদের অন্তর্ভূক্ত নই, কারণ আমি মুসলমান।---------- দস্তার রাজদরবার
দেওবন্দি গুরুরা ভারতে হিন্দুদের তোয়াজ করতে গরু কুরবানীর বিরুদ্ধে ফতোয়া দেয়, বন্দে মাতরম গানের পক্ষে ফতোয়া দেয়, আরো ফতোয়া দেয় হিন্দুদের কাফির বলা যাবেনা। তোমরা যদি এরপরও পা চাটা কুকুর না হও তাহলে কে হবে?
http://www.youtube.com/watch?v=09LHFlyUDYY
দেওবন্দিরা হিন্দুদের গোলামি করতে গিয়ে শিবসেনাদের অনুকরণে এটাও দাবি করেছে, জম্মু ও কাশ্মীর তথা J&K হলো ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ। তাও সেটা তারা করেছে তাদের সভায় এবং সাংবাদিকদের নিকট তার সাক্ষাৎকারও দিয়েছে। ভিডিও লিঙ্ক নিচে
http://www.ndtv.com/article/india/future-of-j-k-is-with-india-says-deoband-59063?curl=1389609889

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন