শনিবার, ১৭ মে, ২০১৪

ঈসা আলাইহিস সালাম ইরশাদ, “আমি মৃতকে জীবিত করেছি, কিন্তু নির্বোধকে বোধ দিতে পারিনি।”

গত ২৮শে নভেম্বর ২০১৩’তে আমি একটি স্ট্যাটাস দিয়েছিলাম ফারাবীকে নিয়ে। সেখানে আমি লিখেছিলাম- “যেই হাটহাজারী মাদরাসার পত্রিকাতে লেখা ছাপা হওয়ার কারণে ফারাবী ভাই অত্যন্ত খুশি হয়েছিলেন, সেই হাটহাজারী মাদরাসা থেকেই কিন্তু হেফাজতের উত্থান। ফারাবী ভাইয়ের কি হেফাজতি নেতাদের নিকট থেকে তার পক্ষে সামান্য বিবৃতি লাভের অধিকার ছিলনা?”
পুরো স্ট্যাটাসটি এই লিঙ্কে: https://www.facebook.com/rajdarbaar/posts/669015159810549
আমার সেই স্ট্যাটাসটিতে লাইক দিয়েছিল ফারাবী। তার এই লাইক দেখে হেফাজতিরা আতঙ্কিত হয়ে বিভিন্ন স্ট্যাটাস দিয়েছিল তখন। ফারাবী তখনই আমাকে প্রাইভেট মেসেজ করে বলেছিল যে, হেফাজতিরা তাদের জন্য কিছুই করেনি। সম্পূর্ণ অগ্রাহ্য করা হয়েছিল তাদেরকে।
আমি তখন ফারাবীকে বিভিন্নভাবে বোঝানোর চেষ্টা করি, যেন প্রত্যক্ষদর্শী হিসেবে হেফাজতিদের মুনাফেকিগুলো সে সাধারণ মানুষের সামনে তুলে ধরে। তাতে করে বহু লোক এসব ভণ্ডদের দ্বারা প্রতারিত হওয়ার হাত থেকে বেঁচে যাবে।
কিন্তু তখন পরিস্থিতি ছিল প্রতিকূলে। হেফাজতিদের বিরুদ্ধে পোস্ট দিয়ে আমি আমার বহু লাইকার হারিয়েছিলাম, বহু গালিগালাজ সহ্য করেছিলাম। এরকম প্রতিকূল অবস্থায় সত্য কথা বলার সাহস তার হয়নি।
তবে সম্প্রতি হেফাজত যেভাবে আওয়ামীদের বন্ধু বলেছে, তাদের টাকা গ্রহণ করার কথা অকপটে স্বীকার করেছে, তাতে করে তাদের ব্যাপারে আর লুকোছাপা করার প্রয়োজনীয়তা কোথায়? ২০১৩’র নভেম্বরের দিকে আমি ফারাবীকে বহুবার বলেছিলাম, আমাকে হেফাজতিদের যেসব কথা মেসেজ করে বলা হয়েছে, সেসব জনসমক্ষে প্রকাশ করতে। কিন্তু সে তখন তা না করায় আমি হাল ছেড়েই দিয়েছিলাম। আর সেই ফারাবীই কিনা গত কয়েকদিন আগে নিজেই আমার কাছে পরামর্শ চাইল, সে হেফাজতিদের ব্যাপারে স্ট্যাটাস দিবে কি না?
আমি বললাম, অবশ্যই! সাধারণ মানুষ তাদের ব্যাপারে এখন পুরোপুরি জ্ঞাত।
কিন্তু আমি থ হয়ে গেলাম তার স্ট্যাটাসটি দেয়ার পর সেখানে হেফাজতিদের গালিগালাজ দেখে। তারা এতকিছুর পরও তাদের নেতাদের গোলামি করতে প্রস্তুত! এদেরকে দেখে আমার হযরত ঈসা আলাইহিস সালাম উনার ইরশাদ মুবারক স্মরণ হলো, “আমি মৃতকে জীবিত করেছি, কিন্তু নির্বোধকে বোধ দিতে পারিনি।”
পরিশিষ্ট: যারা বলছে যে, ফারাবী হেফাজতিদের বিরুদ্ধে কোন স্বার্থউদ্ধারের কারণে অপপ্রচারে নেমেছে, তাদের উত্তর দেয়ার জন্যই গত ছয়মাস আগে করা মেসেজের স্ক্রীনশটটি প্রকাশ করলাম। কারণ ফারাবী যেসব কথা বলেছে তার স্ট্যাটাসে, তা সাম্প্রতিক কোন ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে নয়। বহু আগে থেকেই সে হেফাজতিদের বিরুদ্ধে বলতে চাইছিল, কিন্তু পরিস্থিতির কারণে পারেনি। ফারাবী অনেক সময় ধরে হেফাজতিদের ব্যাপারে যে ক্ষোভ পুষে রেখেছিল, সেই পুঞ্জীভূত ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশই ঘটেছে তার স্ট্যাটাসে।













রবিবার, ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০১৪

মার্কিন কূটনীতিকের হাটহাজারী মাদ্রাসায় মিটিং: গভীর চক্রান্ত




★★★★বুদ্ধিমানের জন্য ইশারাই যথেষ্ট!★★★★
আফগানিস্তান প্রবেশ করার জন্য মার্কিনীরা তালেবানদের বেছে নিয়েছিল। ১৯৮৩ সালে প্রেসিডেন্ট রোনাল্ড রিগান তালেবানদের মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দাওয়াত দেয়।গোপনে সিআইএ-রিগ্যান-তালেবান মিটিং করে এবং আফগানিস্তানে মাস্টারপ্ল্যান তৈরী করে। সে সময় তালেবানদের কম আদর যত্ন করা হয়নি, বিশেষ প্লেনে চড়িয়ে নাসার বিশেষ কেন্দ্রগুলো পর্যন্ত ঘুরিয়ে দেখানো হয়।
আর আজকে, মার্কিন কূটনীতিক ক্যাথলিন গিবিলিস্কোর হাটহাজারি মাদ্রাসায় হেফাজতের নেতাদের সাথে আড়াই ঘণ্টা গোপন মিটিং করে, তাদেরকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার দাওয়াত দেয়, অনুদান দেয়ার আশ্বাস দেয়।

(বিস্তারিত:https://www.facebook.com/des.wa.71/posts/463034457159333?stream_ref=10)


Photo: ★★★★বুদ্ধিমানের জন্য ইশারাই যথেষ্ট!★★★★
আফগানিস্তান প্রবেশ করার জন্য মার্কিনীরা তালেবানদের বেছে নিয়েছিল। ১৯৮৩ সালে প্রেসিডেন্ট রোনাল্ড রিগান তালেবানদের মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দাওয়াত দেয়।গোপনে সিআইএ-রিগ্যান-তালেবান মিটিং করে এবং আফগানিস্তানে মাস্টারপ্ল্যান তৈরী করে। সে সময় তালেবানদের কম আদর যত্ন করা হয়নি, বিশেষ প্লেনে চড়িয়ে নাসার বিশেষ কেন্দ্রগুলো পর্যন্ত ঘুরিয়ে দেখানো হয়।
আর আজকে, মার্কিন কূটনীতিক ক্যাথলিন গিবিলিস্কোর হাটহাজারি মাদ্রাসায় হেফাজতের নেতাদের সাথে আড়াই ঘণ্টা গোপন মিটিং করে, তাদেরকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার দাওয়াত দেয়, অনুদান দেয়ার আশ্বাস দেয়। 

(বিস্তারিত:https://www.facebook.com/des.wa.71/posts/463034457159333?stream_ref=10)

এক্সক্লুসিভ-----মার্কিন কূটনীতিকের হাটহাজারী মাদ্রাসায় মিটিং: গভীর চক্রান্তের কবলে দেশ, যা আল কায়েদা’র ভিডিও প্রকাশের ধারাবাহিকতারই অংশ

মার্কিন কূটনীতিক ক্যাথলিন গিবিলিস্কোর হাটহাজারি মাদ্রাসায় গোপন মিটিং এর মাধ্যমে দেশ নতুন করে গভীর চক্রান্তে মুখে উপনিত হলো, যা আল কায়েদা ভিডিও প্রকাশের ধারাবাহিকতারই অংশ।
মূলত: আল কায়েদা হচ্ছে সিআইএ’র একটি রিভার্স সংগঠন, যারা কোন মুসলিম দেশে মার্কিনীদের আগ্রাসন সৃষ্টির জন্য মওকা তৈরী করে। (আমার লেখা এ নোট পড়ে দেখতে পারেন: www.facebook.com/notes/des-wa/আমার-পঞ্চদশ-নোট-কে-এই-আল-কায়েদা-কি-তার-উদ্দেশ্য/460784820717630) আর এক্ষেত্রে, প্রত্যেক দেশেই আল কায়েদা কোন সংগঠনের উপর উপবেশন করে, যেমনটা হয়েছিল আফগানিস্তানে তালেবানদের ক্ষেত্রে, তালেবানদের উঠিয়েছিল খোদ আমেরিকা, পরবর্তীতে তারাই মার্কিনীদের প্রবেশের অজুহাত তৈরী করে। সিরিয়ায় বর্তমানে রয়েছে আল কায়েদার অঙ্গসংগঠন আল নুসরা ফ্রন্ট। যাদেরকে বর্তমানে প্রকাশ্যে ইউরোপ-আমেরিকা ইসরাইলি অনুমতিতে অস্ত্র সরবরাহ করছে, আর্থিক সহায়তা করছে, কিন্তু যখনই আসাদের পতন হবে তখনই কৌশলে তাদের অজুহাতেই সিরিয়ায় প্রবেশ করে বসবে এই আমেরিকা। একইভাবে বাংলাদেশে আল কায়েদা’র উপবেশনের জন্য মার্কিনীরা কাউকে না কাউকে খুজছে, যার প্রথম পছন্দের তালিকায় প্রথম রয়েছে কথিত ‘হেফাজতে ইসলাম’, যার বাস্তবায়নের জন্য হাটজাহারিতে এ মিটিং।
আমি জানি, অনেকে হেফাজতের পক্ষে সাপোর্টার থাকতে পারেন, যারা কথাটা শুনে কষ্ট পাবেন। কিন্তু সত্য কথাটা সবসময় কঠিন হয়, এবং আমরা সত্যিই এক গভীর ইহুদীবাদী চক্রান্তে পা দিতে দিতে যাচ্ছি, যা অস্বীকার করার কোন উপায় নেই। দেশ ও ইসলামের মুহব্বতে প্রকৃত সত্য গোপন করে বিশ্বাসঘাতক হতে চাই না।
এখানে একটি কথা মনে রাখবেন, আমেরিকা চেয়েছিল বাংলাদেশে বিএনপি সরকার আসুক, যার মাধ্যমে কৌশলে ক্ষমতার আসনে বসিয়ে দেয়া হতো সুদখোর ইউনুসকে। বাংলাদেশে ইউনুসকে ক্ষমতা চেয়ারে বসানোর মানে হচ্ছে, মার্কিনীরা বিনা যুদ্ধে আমাদের দেশ দখল করে নিয়েছে।
আর ভারত চেয়েছিল আওয়ামীলীগ আসুক। কেননা আওয়ামী সরকারের মাধ্যমে ভারতের আর্থিক ও হিন্দুয়ানার অনেক উপকার হয়, এছাড়া বাংলাদেশকে সিকিমের মত গলধাঃকরণ করার ইচ্ছা তাদেরও প্রবল।
কিন্তু জটিল হলেও বিষয়টি সত্য, বর্তমানে আমেরিকার আর্থিক অবস্থা খুবই দুর্বল এবং বাংলাদেশের মত দূরবর্তী কোন দেশে নিকটবর্তী ভারতের সাথে টেক্কা দিতে তারা ব্যর্থ। ফলে ভারতীয় মদদে আওয়ামীলীগ চলে আসে ক্ষমতায়।
কিন্তু আমেরিকা যেহেতু এখনো হাল ছাড়েছি তাই তারা তাদের সবগুলো অস্ত্র একের পর এক ব্যবহার করবে এটাই স্বাভাবিক। এরই ধারাবাহিকতায় ব্যবহার করা হচ্ছে মার্কিনীদের অন্যতম অস্ত্র আল কায়েদাকে।
আর আল কায়েদা সংশ্লিষ্টতা তো হেফাজতের জন্য নতুন কিছু না। আফগান-রাশিয়া যুদ্ধের সময় সিআইএ’র ইচ্ছায় অনেক কওমী মাদ্রাসার ছাত্র-শিক্ষক তো আফগানিস্তান গিয়েছিল, যা তারা কখনই অস্বীকার করতে পারবে না। এছাড়া হেফাজতের কেন্দ্রীয় নেতা যেমন মুফতি ইজহারুল কিংবা মুফতি হাবীবুর রহমান (বুলবুলি মোল্লা)’র আল কায়েদা সংশ্লিষ্টতা রয়েছে। এছাড়া হাটহাজারি মাদ্রাসার ছাত্ররা যে পাহাড়ের মাঝে ট্রেনিং করে তাও অস্বীকার করার সুযোগ নেই। মুফতি আমিনী যখন সারা বাংলাদেশ পোস্টারে ছেয়ে ফেলে, “আমরা হবো তালেবান, বাংলা হবে আফগান” তা সবারই দৃষ্টিগোচর হয়েছিল, যা এখনো অনেকে ভুলে যায়নি।
প্রকৃতঅর্থে, হেফাজতে ইসলামের সাথে মার্কিন কনসুলেটের মিটিং-এর অর্থ হচ্ছে, বিভিন্ন কওমী মাদ্রাসার মুহতামিমদের টোপ দেয়া যে, তোমরা তোমাদের ছাত্রদের নিয়ে আল কায়েদার ব্যানারে কাজ শুরু করো, আমরা পেছন থেকে তোমাদের ব্যাকিং, অস্ত্র, টাকা ও মিডিয়া দেবো।

এখন কওমীরা যে কাজটি করতে চাচ্ছে, আমার মনে বাংলাদেশের অধিকাংশ মানুষই তা পছন্দ করবে না, কিংবা তার জন্য প্রস্তুত হবে না। এখন এমন পর্যায়ে তৈরী হয়নি যে দেশকে যুদ্ধের দিকে নিয়ে যেতে হবে, আর যদি যুদ্ধ করতেই হয় তবে মার্কিনী মত শিয়ালের সাথে একত্র হয়ে কেন যুদ্ধ করবো? তারাই তো সারা পৃথিবীতে মুসলিম নিপীড়ন চালাচ্ছে। আর আমাদের দেশে মুসলমান-মুসলমান কেন যুদ্ধ করবো? যুদ্ধ যদি করতে হয় তবে পাশের হিন্দুদের যাথে যুদ্ধ করবো, কিন্তু আমেরিকারদের উস্কানিতে দেশের মধ্যে বিশৃঙ্খলতা তৈরী করা কখনই ঠিক হবে না, কারণ এতে বাংলাদেশে সন্ত্রাস দমনের অজুহাতের প্রবেশ করবে ন্যাটো সেনা।

তাই প্রত্যেক নাগরিকের উচিত, যারা এ সকল দেশ বিরোধী চক্রান্তের সাথে জড়িত তাদের চিহিনত করা এবং প্রয়োজনের দেশ থেকে বের করে দেয়া। তাদের বলা উচিত: ‘আমাদের বাংলাদেশ নিয়ে আমাদের থাকতে দাও, তোমাদের কোন প্রয়োজন নেই।’

( কওমী অনলাইন এক্টিভিটিস পেইজ ঘুরে দেখলো মোটামুটি সত্যতা পেয়ে যাবেন, লুকিয়ে লাভ নেই আমার কাছে সেইভ করা আছে)

Courtesy: Des Wa



বাংলাদেশের ধনসম্পদ চুষে নিয়ে ব্রিটেন ধনী হয়েছে, কলকাতা ধনী হয়েছে, পাকিস্তান ধনী হয়েছে। কেবল বাঙালি মুসলমান পারল না সোনার বাংলাকে ব্যবহার করে ধনী হতে। সে না পারুক, কিন্তু মার্কিনীরা সে সুযোগ হাতছাড়া করবে কেন?




আমাদের ওলামায়ে-কেরামগণকে বলতে চাইঃ "আমরা দুঃখ পেলাম"

শাইখ হাইতাম আল হাদ্দাদকে একটা টিভি টকশোতে দেখলাম, এক মুসলিম মহিলা আলোচক বে-পর্দাভাবে থাকায়, ঐ মহিলা যখন টেবিলে এসে আলোচনা করছিলো, তখন তিনি দর্শক গেলারীরে চলে যাচ্ছিলেন, আর ঐ মহিলা তার কথা শেষে যখন আবার দর্শক গেলারীতে যাচ্ছিলো, তখন উনি নিজ চেয়ারে এসে উনার উত্তর দিচ্ছিলেন। এটা ছিলো একটি কাফির দেশে ওদের নিজস্ব টিভি চ্যানেলের টক শো।

আমরা কি আমাদের সবচেয়ে বড় ও ঐতিহ্যবাহী মাদ্রাসাতেও এই নূন্যতম ষ্টান্ডার্ড ধরে রাখতে পারবো না?

আমাদের নিজেদের আদর্শ, নিজেদের তাহজীব-তামুদ্দীন রক্ষা করার প্রয়োজন রয়েছে। এখানে ছাড় দিলে আমরা মূল যুদ্ধের আগেই ওদের কাছে হেরে গেলাম।

বিভিন্ন পত্রিকায় দেখলাম, বাংলাদেশের আলেমদের সূতিকাগার হাটহাজারী মাদ্রাসায় আমেরিকান দূতাবাসের দুই কর্মকর্তা (একজন "কর্মকর্তী") সফরে গিয়ে পারস্পরিক মত-বিনিময় করেছে।

কাফিররা আমাদের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে আসতে পারে, এটা ঠিক। এতে আমাদের দ্বীন এর ব্যাপারে তারা শিখবে। বিভিন্ন কূটনীতিকরাও আসতে পারে, এটাও ঠিক। কিন্তু আমাদের নিজেদের শরীয়াহ, ইসলামিক আদাব ইত্যাদি জলাঞ্জলি দিয়ে নয়।
ঐ কাফির-খাবিসা মহিলা যেভাবে খোলা চুলে, বেপর্দাভাবে আমাদের গভীর আশা / অনুপ্রেরনার স্থান হাটহাজারী মাদ্রাসায় ঘুরে বেড়িয়েছে, যেভাবে সিনিয়ার ওলামায়ে-কেরামগণের সামনে বসে ঐ খাবিস-ফাহেশা মহিলা আলোচনা-পর্যালোচনা করেছে, তা দেখে আমাদের হৃদয়ে রক্ত-ক্ষরণ হচ্ছে।

এদেশের আলেম-ওলামারা এত দূর্বল হয়ে যান নি বরং আল্লাহর দ্বীন এত নাজুক অবস্থায় পড়ে যায় নি যে, আলেম-ওলামাগণকে এই জায়গায় এসে ছাড় দিতে হবে। এখানে ছাড় দিলে মাদ্রাসায় পড়িয়ে, পড়ে আর বাকী কি থাকবে?

আমাদের আল্লাহর উপর ভরসা করা উচিত, তাওয়াক্কুল করা উচিত। আমাদের নিজেদের দূর্বলতার দিকে না তাকিয়ে আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের শক্তির দিকে তাকানো উচিত।

এই মহিলাকে এই অবস্থায় আমাদের মাদ্রাসায় ঢুকতে না দেয়া উচিত ছিলো। আসলে সে পর্দা করে আসতে হবে, এই শর্ত দেয়া উচিত ছিলো। অথবা এই খাবিসা-কাফির মহিলাকে আসার অনুমতি একদমই দেয়া উচিত ছিলো না, পর্দা করলেও না। আল্লাহ না করুন, এটা যেন আমাদের বড় কোন অধঃপতনের সূচনা না হয়। (দেখলাম ওরা আবার সিনিয়ার ওলামাদেরকে ওদের দেশ বেড়ানোর ওফার দিয়েছে)! এই মাদ্রাসাগুলো তো আমেরিকান কাফিরদের কৃপায় চলছে না। আর এখনই ওরা আমাদের এই মাদ্রাসাগুলোতে ড্রোণ হামলাও করতে আসছে না। তাহলে এই ছাড় কেন? তাহলে এই অবস্থা কেন?

আকাবেরে দেওবন্দের মুজাহিদ আলেমগণ ও মোল্লাহ মোহাম্মদ ওমর (দাঃ বাঃ) এর কাছ থেকে আমাদের ওলামায়ে-কেরামগণের অনেক কিছু শেখার আছে।

পুরো মাদ্রাসা কুরবানী হতে পারে, কিন্তু দ্বীন এর একটি উসুল নয়।

পুরো মাদ্রাসা কুরবানী হতে পারে, কিন্তু রাসুল (সাঃ) এর একটি সুন্নাত নয়।

বাংলাদেশের সকল মাদ্রাসা কুরবানী হতে পারে, কিন্তু আল্লাহর দ্বীন এর একটি শিক্ষা নয়।

হে আল্লাহ শুধু তোমারই উপর আমরা ভরসা করি, শুধু তুমিই আমাদের শেষ আশ্রয়স্থল। শুধু তোমার কাছেই আমরা দুয়া করি। তুমি একমাত্র ক্ষমতার অধিকারী। আমাদের দূর্বলতা দূর করে দাও, আমাদেরকে তোমরা পছন্দনীয় 'শক্তিশালী মুমিন' এ পরিণত করে দাও। আমাদেরকে তোমার 'দুর্বল মুমিন' বান্দা হিসেবে রেখে দিও না।

আমি জানি, আমাদের এই দূরবস্থার জন্য আমার নিজের গুনাহ ও দূর্বলতারও একটা অংশ আছে। আমাদের সবারই আছে। আল্লাহ যেন আমাদের সবাইকে বিচারের দিন এই অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দান করেন। এই অবস্থার উন্নতির জন্য যা করণীয় তা করার তৌফিক দান করেন।

(হাটহাজারী মাদ্রাসার কোন ভাই পারলে ওলামায়ে কেরামগণের কাছে আমাদের এই ছোট্ট অনুভূতিগুলো পৌঁছে দিবেন)

- Harun Izhar
— feeling sad.












[ ক্রুসেডারদের চক্রান্ত শুরু হয়ে গেছে ]
------------------------------------------
হেফাজত নেতৃবৃন্দের সাথে মার্কিন দূতাবাস কর্মকর্তার বৈঠক ১৩ দফা ও ক্বওমী শিক্ষা সম্পর্কে ধারণা লাভ
করতে যুক্তরাষ্ট্রের আগ্রহ ::

ঢাকাস্থ মার্কিন দূতাবাসের রাজনৈতিক
কর্মকর্তা ক্যাথলিন গিবিলিস্কো এবং সহকারী রাজনীতি বিশেষজ্ঞ লুবাইন চৌধুরী মাসুম হেফাজতে ইসলামের
কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের সাথে বৈঠক করেছেন।
গতকাল (বুধবার) সকাল ১০টায় মার্কিন দূতাবাস কর্মকর্তাদ্বয় হেফাজতে ইসলামের কেন্দ্রীয় কার্যালয় দারুল উলূম হাটহাজারী মাদ্রাসায় প্রবেশ করেন। এসময় হেফাজত নেতৃবৃন্দ তাঁদেরকে অভ্যর্থনা জানিয়ে আমীরের কার্যালয়ে নিয়ে যান। এরপর মার্কিন দূতাবাস
কর্মকতা হেফাজত নেতৃবৃন্দের সাথে সরাসরি আলোচনায় বসেন। এতে উপস্থিত ছিলেন হেফাজতে ইসলামের মহাসচিব প্রখ্যাত মুহাদ্দিস আল্লামা হাফেজ মুহাম্মদ জুনায়েদ বাবুনগরী, মাওলানা আনাস মাদানী, আমীরের
প্রেস সেক্রেটারী মাওলানা মুনির আহমদ,
যুগ্মমহাসচিব মাওলানা মুঈনুদ্দীন রুহী, সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা আজিজুল হক ইসলামাবাদী, কেন্দ্রীয় নেতা মাওলানা হাবীবুল্লাহ আজাদী, মাওলানা মুজাম্মেল হক প্রমুখ।
বৈঠকে মিসেস ক্যাথলিন হেফাজত নেতৃবৃন্দর কাছে সংগঠনটির ১৩ দফার আন্দোলন, নীতি আদর্শ, সাংগঠনিক তৎপরতা, গত বছরের ৫ই মে শাপলা চত্বরের ঘটনাসহ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে বিস্তারিত জানতে চান। হেফাজত নেতৃবৃন্দ এসব বিষয়ে তাদের বক্তব্য তুলে ধরার
পাশাপাশি সংগঠনের অরাজনৈতিক ও
শান্তিপূর্ণ অবস্থান সম্পর্কে অবহিত করে বলেন, হেফাজতে ইসলামের তৎপরতা কাউকে ক্ষমতায় নেওয়ার জন্য বা নামানোর জন্য নয়। হেফাজতে ইসলাম মুসলমানদের ঈমান-আক্বিদার
সুরক্ষার আন্দোলনের পাশাপাশি দেশের
স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব ও সমাজে শান্তি-
শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠার জন্যই কাজ করে যাচ্ছে।
হেফাজতে ইসলাম আল্লাহ, রাসূল ও ইসলামের অবমাননা রোধ, ঈমান-আক্বিদার সুরক্ষাসহ ইসলামী সংস্কৃতির উপর আঘাতহানা যেমন সহ্য করে না, তেমনি সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের উপর
যে কোন হামলার ঘটনাকেও সমর্থন করে না। এর বাইরে হেফাজতে ইসলাম কখনোই কোন রাজনৈতিক তৎপরতায় জড়িত হবে না।
এ সময় মিসেস ক্যাথলিন শাপলা চত্বরের
হতাহতের ঘটনা, বায়তুল মুকাররম এলাকায় পবিত্র কুরআন পোড়ানো এবং সন্ত্রাস ও কথিত জঙ্গীবাদ নিয়েও আলোচনা করেন। হেফাজত নেতৃবৃন্দ
শাপলা চত্বর এবং পবিত্র কুরআন পোড়ানোর ঘটনায় নিরপেক্ষ বিচারবিভাগীয় তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের বিচার করার জন্য সরকারের প্রতি বার বার দাবী জানানোর কথা তুলে ধরে বলেন, শাপলা চত্বরের এত বড়
ভয়াবহ ঘটনার পরও সারাদেশে বিশাল জনসমর্থন সত্ত্বেও কোন ধরণের সহিংসতায় না জড়িয়ে আমরা চরম ধৈর্যের পরিচয় দিয়েছি।
কারণ, আমরা কখনোই সহিংস পন্থায়
দাবী আদায়ে বিশ্বাস করি না।
 
 
 
 
 
 
 
 
 

মঙ্গলবার, ২৮ জানুয়ারি, ২০১৪

বুলেটপ্রুফ গাড়ি


মন্তব্য নিষ্প্রয়োজন! নরেন্দ্র মোদি তার ব্যক্তিগত বুলেটপ্রুফ গাড়িটি ব্যবহার করতে দিল জমিয়তনেতা মেহমুদ মদনীকে, যে ভারত-বাংলাদেশের সমস্ত দেওবন্দীদের একজন প্রধানতম নেতা এবং হুসাইন মদনীর নাতি। এখন আপনারাই বলুন, কতটা গভীর সম্পর্ক থাকলে একজন ব্যক্তি অপর ব্যক্তিকে তার ব্যক্তিগত গাড়ি ব্যবহারের অনুমতি দেয়? আর নরেন্দ্র মোদির ঘনিষ্ঠ ব্যক্তি কি ভারতীয় মুসলমানদের জন্য ক্ষতির কারণ হবে না?

ভিডিওঃ http://www.youtube.com/watch?v=2DVnab_pd3I

খবরঃ ১)http://twocircles.net/2013dec28/juh_trashes_report_mahmood_madani_traveling_modi’s_car.html

২)http://www.ummid.com/news/2013/December/29.12.2013/mehmood-madani-in-modi-car.html